রাণীর বাজার | Ranir Bazar

বই থেকে নমুনা পাঠ্য (মেশিন অনুবাদিত)

(Click to expand)
যে-বাড়িটিকে চারদিক থেকে পিষে, চলতি কথায়, 'রাঁণার বাড়ির লাইন” চলে গেছে স্টেশনের কাছ থেকে পশ্চিমে গঙ্গার ঘাট ATT! রাণী রোডের এই আধ মাইল পথের ধারে যত বাড়ি, সবই এখনও রাণীর মেয়ে বিরানবৰ্‌ ই বছরের সৌরভীবালা ভোগ করছে। যে সৌরভীবাল| এখনো সেই ভেঙেপড়া পুরণ একতলা বাড়ির মধ্যেই আছে। আমি আমার চিলেকোঠার gayi দিয়ে দেখছি, সৌরভীবালার লোলচর্ম এখন গলে গলে পড়ছে। পশ্চিমদিকের জানালা খুলে দেওয়া ছোট খুপরি ঘরে নগ্ন সৌরুভীবালা গলা! গলা অপলক চোখে তাকিয়ে আছে বেলা শেষের রক্তাম্বর আকাশের দিকে প্রাণ তার ঠোঁটের কিনারায় এসে ঠেকেছে। কিন্তু শমনের দেখা নেই। জীবিতদের মধ্যে, সৌরভীবালার খসে পড়া মাংসের ভাজে ভাজে রাণীর বাজারের চাক্ষু্স ইতিহাস আকা রয়েছে। সৌরভী তার. মায়ের বাজার দেখেছে, সে বাজার ধ্বংস হতে দেখেছে। সৌরভীবালার গায়ে রাণীর বাজারের মায়ামুগ্ধজীবি মানুষের, কামিনী ও কাঞ্চন, প্রবৃত্তি ও সম্পদের বিচিত্র কাহিনী রয়েছে লেখা | ওষ্ঠাগত প্রাণ নিয়ে ASAI অতীতদিনের কথা ভাবছে।



Leave a Comment