গিরিকণ্যা | Girikanya

বই থেকে নমুনা পাঠ্য (মেশিন অনুবাদিত)

(Click to expand)
ধীরে ধীরে শায়লীর ক্ষোভ ও অভিমানের রেশ অনেকটা প্রশমিত হয়ে এলো। সে ছুয়ারের চৌকাঠে হেলান দিয়ে শূন্য দৃষ্টিতে দূর অরণ্যালীর দিকে চেয়ে রইলো। বীরেশ শাস্তকণে ডাক্লো, “শায়লী !” “aq? ব্যথাতুব স্বরে উত্তর দিলে৷ শায়লী। “শায়লী, আজ আমি আমার ভুল বুঝতে পেরেছি। ভূমি প্রকৃতই বাঙলার মেয়ে। তোমার মত খাটি বাঙালী সারা বাগানটার ভেতর একজনও নেই । আমি তোমার শিক্ষক । আমি তোমায় আশীর্বাদ করছি, Sf তোমার জীবনের শেষ দিন eg এমনি খাটি বাঙলার মেয়েই যেন থাকতে MTA’ ধীরে ধীরে বীরেশ ভার ডান হাতখানি শায়লীর মাথার উপর রাখলো। শায়লী নতজানু হয়ে-বীরেশকে প্রণাম করলো।। একটা মধুর নীরবতা তাদের মাঝে নিবিজ্ হয়ে উঠলো। ক্ষণকাল স্তন্ধভাবে দাড়িয়ে থেকে teal ছুটে বেরিয়ে গেল৷ বীরেশ ডাকলে!, “শায়লী, কোথায় যাচ্ছ 1” “জান তো নেপালী মেয়েছের নেশা AL হলে চলে না। তাই যাচ্ছি নেশার খোজে ।”” মুচকি হেসে শায়লী যেতে যেতে জবাব দিলো। ১২ গিরিকন্তা



Leave a Comment