নব ভারত স্রষ্টা ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর | Naba Bharat Srashta Iswarchandra Vidyasagar

বই থেকে নমুনা পাঠ্য (মেশিন অনুবাদিত)

(Click to expand)
প্রথম প্রতিশ্রুতি ৯ বিদ্যাসাগর Sta বিখ্যাত শিশুপাঠ্য “বর্ণ পরিচয়” ( প্রথম ও দ্বিতীয় ভাগ ) পুস্তকে গোপাল নামে একটি বাধ্য ও আদর্শ চরিত্র বালকের কাহিনী লিখেছেন । গল্পের মধ্যে একটি অবাধ্য ও দু বালকের চরিত্রও আছে, তার নাম রাখাল wel শিক্ষার্থীদের তিনি রাখালের চরিত্র অনুসরণ না করে গোপালের চরিত্র অনুসরণ করবার উপদেশ দিয়েছেন। এই গল্প সম্বন্ধে রবান্দ্রনাথৎ তার 'বিদ্যাসাগর চরিত -এ বলেছেন : ২০...“নিরীহ বাংল।দেশে গোপালের মতো স্মবোধ ছেলের অভাব নেই । এ ক্ষীণতেজ দেশে রাখাল এবং তাহার জীবনীলেখক ঈশ্বরচন্দ্রের মতো ছুদাস্ত ছেলের প্রাদুর্ভাব হইলে বাঙ্গালী জাতির শীর্ণ চরিত্রের অপবাদ ঘুচিয়া যাইতে পারে | স্মথৃবোধ ছেলেগুলি পাস করিয়া] ভালে চাকরি বাকরি বা বিবাহকালে প্রচুর পণ লাভ করে সন্দেহ নাই, কিন্তু ছুই অবাধ্য অশান্ত ছেলেগুলির কাছে স্বদেশের জন্য অনেক আশা করা যায় ।” কিন্তু একটি বিষয়ে অর্থাৎ লেখা পড়ার ব্যাপারে ঈশ্বরচন্দ্র রাখালের সম্পূর্ণ বিপরীত ছিলেন । রাখাল পড়াশুনা করত না, কিন্তু বিদ্যাসাগর অত্যন্ত মনোযোগের সঙ্গে লেখাপড়া করতেন, অনেক বাধা বিপত্তি সত্বেও | সে যুগে প্রাথমিক শিক্ষা দেওয়৷ হ'ত গ্রামের পাঠশালায় । তারপর অবস্থাপন্ন grad শিক্ষার্থীরা টোলে যেত উচ্চতর সংস্কৃত শিক্ষার জন্য | বীরসিংহ গ্রামে একটি পাঠশালা ছিল ৷ সেই পাঠশালার গুরুমশায় মনে করতেন মারধোর না করলে ছেলে মানুষ্‌ হয় না। এই বিশ্বাসের বশবর্তী হয়ে অতি উৎসাহে তিনি ছাত্রদের তাড়না করতেন। পাঠশালার ছেলে- মেয়ের! এই কারণে তাকে AIT মত ভয় করত ৷ সুতরাং ঈশ্বরচন্দ্রকে পড়াবার জঙ্য ঠাকুরন্স কালীকান্ত চট্টোপাধ্যায় নামে এক কুলীন ব্রাহ্মণকে ঠিক করলেন । কালাকান্ত ছিপেন অমায়িক প্রকৃত্তির মানুষ এবং শিক্ষক হিনেবেও Gia gaia ছিল । কিন্তু গ্রামের পাঠশালায় শিক্ষকতার চেয়ে কোলিন্য প্রথার আথিক সুবিধার প্রতি তার আকর্ষণ ছিল বেশী । কালী- কান্তের অনিচ্ছ! সত্বেও ঠাকুরদাস অনেক বুঝিয়ে রাজী করিয়ে তাকে দিয়ে



Leave a Comment