চিকিৎসা বিজ্ঞানের নব অবদান | Chikitsa-bigyaner Naba Abadan

বই থেকে নমুনা পাঠ্য (মেশিন অনুবাদিত)

(Click to expand)
একটি ওষুধ ঢুকিয়ে দেওয়া যায় তবে সে ওযুধটি বোধ হয় জীবাণুরদের সঙ্গে লংগ্রাম করতে পারে। কিন্তু কার্যক্ষেত্রে দেখা গেল, তা করবার ত বিশেষ সুবিধা নেই, কারণ বিষ-প্রতিষেধক ওষুধটাই যে রোগ-নিবারক না হয়ে নিজেই বিষক্রিয়া করতে থাকে । তার ফলে সেই বিষে রোগ-জীবাণগুগুলি হয়ত মরঙে পারে, কিন্তু সঙ্গে সঙ্গে রোগীরও অস্তিম ঘনিয়ে আসে | বিখ্যাত জামান বৈজ্ঞানিক পল আলিকের মনে হয়েছিল, যে-সব পদার্থ শরীরের ভিতরে গিয়ে রোগ-জীবাণুদের সঙ্গে লড়াই করে তাদের বিনষ্ট করতে পারে এমন বেশ একটি প্রতিম্বেধক ওষুধ বানানো ABT! এই রকম একট! পদার্থ আবিষ্কার করে তিনি একটি প্রাথমিক ওষুধ বানালেন বটে, কিন্তু তা সব রকম রোগের চিকিৎসায় ঠিক কার্যকরী হল না। কাজেই তিনি acest চালিয়ে চললেন । ১৯১৫ সালে আলিক মারা যান । আর তারই নির্দিষ্ট পথে যে সব বৈজ্ঞানিকরা গবেষণা চালিয়ে যাচ্ছিলেন তাঁর] বহুদিন পর্যন্ত সর্বরোগে উপকারী কোন ড্রব্যের সন্ধান পেলেন না। কাজেই ICA পর্যন্ত বাইরে থেকে প্রয়োগ কর] যায় এমন বিষ-প্রতিযষেধক UBS একমাত্র জীবাণুনাশক ওষধ হয়ে রইল | এদিকে যুদ্ধের সময় ছুষ্টি-প্রতিযেধক ওষুধের খুব বেশি প্রয়োজন অনুভূত হতে লাগল। কাজেই wea ডাঃ ফ্রেমিংকে Ty হল তিনি যেন প্রচলিত ওষুধের চেয়ে অধিকতর কার্যকরী কোন একটি ভাল প্রতিষেধক-ওষুধ আবিষ্কার করার কথা fowl করেন।, হাসপাতালে রোগী দেখার কাজ করতে করতেই-_-কখনো বা তার.* সংক্ষিপ্ত অবসরটুকুর ফাকে ডাঃ ফ্লেমিং এই ওষুধ আবিষ্কারের কথাই সর্বদা চিত্ত! করতে লাগলেন | একদিন হাসপাতালে রোগী তদারক করে ঘুরতে ঘুরতে Je



Leave a Comment