For Complaints/Suggesstions related to this material, please clickHere
বই থেকে নমুনা পাঠ্য (মেশিন অনুবাদিত)
(Click to expand)ভিয়েতনামের বিদ্রোহী বীর ১৩৯ নামীকে বিদেশে পাঠানো হবে, তার! চীন হয়ে সোডিয়েট রুশিয়ায
যাবে। দিনটা বেশ আননোই কাটল। পরের দিন মালয় রমণী আমার
হোটেলে এসে নান! কথার অবতারণ| করণেন। আমার সাহায্যের ay
আস্তরিক ধন্তবাঁদ জানালেন | দুজন আনামিত যুবক আমায় আপনঙ্জন
যনে করে ছাপটিয়ে ধরল। তাদের চেয়ারে: বসতে দিয়ে জিজ্ঞাস
করলাম গোভিয়েট রুশিয়ার এমন কি আছে যে সেখানে al গেলেই
চলে না? তাঁরা বলল গেলে অনেক কিছু জানা যাবে, সেইজন্তই আমরা
দুজন লোককে সেখানে পাঠাব | এ সম্বন্ধে আমি আর কিছুই বললাম al |
যা দেবার তা দ্বিয়েছি এখন এই টাকা দিয়ে যা ইচ্ছে তাই করুক। বেলী প্রশংস! আমি সহ্ করতে পারি না সেজন্ত ছোটেল হতে বের
wea নিকটস্থ একটি পেগোড়ায় গেলাম এবং ভিক্ষুকদের সংগে কথা বলে
সময় কাটিয়ে বিকালের দিকে হোটেলে ফিরগাম। হোটেলে বয় আমার
জন্ত ate এনে রেখেছিল । রক্ষিতা মালয় রমণী “ataa মানিস” এক
প্রকারের সবজি পাক করে পাঠিয়েছিলেন। এই সবজি যুখরোচক
এবং রুক্তবর্ধক | স্থানীয় ভারতবালীরা রাত্রে খাবার জন্য fra
করেছিলেন। চারদিক থেকে আদর আপ্যায়ন ক্রমাগত আসছিল।
এতে আমার মনে একটুও মাত্মশ্লাঘার উদ্রেক হয় না বরৎ আরও ভাল
করে যাতে পর্যটন করতে পারি সেদিকেই আগ্রহান্বিত হয়েছিলাম।
পরের দবিনটাও কেটেছিল ভাল । তার পর দিন সকাল বেলা যখন পথে
বের হলাম তথন সর্বপ্রথমই আমার গামনে Airey একটা বড় চড়াই ৷ সাইনবোর্ডে লেখা ছিল কুড়ি কিলোমিটার চড়াই মাঝে “সাপ কার্ত*
আছে, সাবধান। কুড়ি কিলোমিটার চড়াই ঠেলে উঠা এটাই আমার
ভ্রমণ জীবনের maaan ধাপ এবং এ চড়াই ঠেলে উঠতেও VR হয়ে
ছিলাম । মাইলের পর মাইল কখন সাইকেল ঠেলে আর কথন বা
সাইকেলে চেপে এগিয়ে চলছিলাম। শরীর এতে ক্রমেই কাহিল হচ্ছিল।