হরিলীলা | Harilila

বই থেকে নমুনা পাঠ্য (মেশিন অনুবাদিত)

(Click to expand)
v/e মায়াপুরী, দ্বারাবতী, চীন, মহাচীন, কামরূপ প্রভৃতি স্থানে সর্বদা সফর করিতে যাতায়াত করিয়া থাকি (১০; পৃঃ )। এই সমস্ত দেশের বাণিজ্যকথা সমস্তই কাল্পনিক বলিয়| মনে হয় না। বাঙ্গলাদেশের বণিকের জাবা, বালী, জাপান প্রভৃতি স্থানে যাওয়া বন্ধ হইলেও স্থলপথে তাহাদের অবাধ গতিবিধি for) তখনও সমুদ্র-যাত্রা একেবারে নিষিদ্ধ হয় নাই, রধুনন্দনের নিষেধবিধি দেশে বদ্ধমূল হইতে অনেক সময় লাগিয়াছিল। হরিলীল| ঠিক দুইশত বৎসর পর্বের রচিত হইয়াছিল, তখনও সমুদ্র-যাত্রার কথা- অন্ততঃ; সমুদ্র-যাত্রার নিকট-স্মৃতি শুধু একটা স্বপ্নে পর্য্যবসিত হয় নাই। সদাগর- সম্বন্ধে লিখিত হইয়াছে “সাত ডিঙ্গা বায়ান্ন জাহাজ সঙ্গে করি ।” এবং “গৌড় রাজ্যে বাস গিয়াছিল মহাচীনে ” (২৭ পৃষ্ঠা) এই পুস্তকখানি পাঠ করিবার সময় নানা দিক্‌ হইতে বাঙ্গলা- দেশের প্াচীন সমৃদ্ধির কথা আমাদিগকে আকর্ষণ করিবে। এই সকল Of fas হারানো পৃষ্ঠা খু জিয়া কোন্‌ উদ্বামশীল পাঠক উপকরণ উদ্ধার করিয়া বঙ্গমাতার মহিমা উজ্জ্বল করিবেন 1 কাব্যখানি ক্ষুদ্র, এবং প্রাচীন কালের জটিল ভাব ও ভাষা দ্বারা ইহার প্রাঞ্জলতা স্থানে স্থানে TSR হইলেও এক- সময়ে AH এই পুস্তক বিশেষ সমাদৃত ছিল। এখনও এই পুস্তকের কবিতা বিক্রমপুর-বাসিনীগণের মুখে মুখে শোনা যায়। বন্লপ্রচারসন্ত্রেও এখন ইহার প্রাচীন পুঁথি getty হইয়া পড়িয়াছে, তাহার একটা প্রধান কারণ এই যে, পশ্চিমবঙ্গে বটতলার প্রকাশকগণের চেষ্টায় বন্ধ প্রাচীন পুথি ছাপা হওয়াতে তাহাদের প্রতিষ্ঠা ও প্রচার অব্যাহতভাবে চলিয়! আসিয়াছে । বৈষ্ণবগণের শত শত ay, কৃত্তিবাসী



Leave a Comment