তিনহাজার দুই | Tinhajar Dui

বই থেকে নমুনা পাঠ্য (মেশিন অনুবাদিত)

(Click to expand)
কপিল বলল--আমি একটু দেখব। --চলে যান। কপিল রিসেপশন পার হয়ে ভিতরের দিকে যায়। ঢুকতেই একটা ঘর, তার ওপরে লাল আলোর অক্ষরে লেখা-_জীবাণুমুক্তি কক্ষ। এখানে কপিলকে একটা সবাঙ্গ ঢাকা ওভারল ATS BAI দাড়াতে হল একটা আলোর নীচে | এই আলে৷ জীবাণু নাশক প্রায় পাচ মিনিট আলোর স্নানে সর্বাঙ্গ জীবাণুমুক্ত করে তারপর ভিতরের দিকে দরজ। খুলে কপিল করিডোরে পা দিল . কারডোর্রে বিশুদ্ধ বাতাস রয়েছে। হাসপাতালের Berea সম্পূর্ণভাবে বীজাণু ও মলমুক্ত। একটিও পোকামাকড়ের অস্তিত্ব নেই . কোনে৷। শব্দ Cae | দীর্ঘ করিডোর পার হয়ে 'ডাক্তার' লেখা একটা ঘরের দরজ৷ ঠেলে ঢুকল কপিল ছুজন সাদা ওভারল পর ডাক্তার নিবিষ্টমনে ‘acre দেখছেন কপিল ঢুকতেই তারা চমকে মুখ তুললেন | কপিল বলল--কোনো খবর ? ডাক্তারদের মধ্যে প্রবীণজনের বয়স পঞ্চাশের কাছাকাছি | উনি একট হেসে বললেন--কমপিউটারের বাচ্চা হতে এখনো বিশ দিন বাকি। তার আগে কোনো স্থখবর দেওয়া অসম্ভব | -_-রুগীর অবস্থা 7 --কমপিউটার খুব ভরসার কথা! বলছে aL ৷ এমন কি বাচ্চা হওয়ার আগেও রুগী একসপায়ার করতে পারে৷ Fy স্বামীও এজন্য ভীষণ নার্ভাস কপিল গম্ভীর চিন্তিত স্বরে বলে--একজন মানুষের রোগ হলে এখন দুনিয়ার সবাই ASA হয়ে পড়ে ডাক্তার। প্রতিটি মানুষ এখন প্রতিটি মানুষের পরম সম্পদ ৷ প্রবীণ ডাক্তার বিষণ্নমুখে বলেন-_-আমর জানি, একটা মানুষকে ১৬



Leave a Comment