জীবন এক কাহিনী | Jiban Ek Kahini

বই থেকে নমুনা পাঠ্য (মেশিন অনুবাদিত)

(Click to expand)
২০ জীবন এক কাহিনি শেষ। তবু বিকেল পর্যন্ত ডাক্তার তাকে বেড়ে শুয়ে থাকতে বলল। চারটের পর সুতপাকে নিয়ে গাড়ি ফের কলকাতার দিকে চলল। যেতে যেতে Fe জিগ্যেস করল, “তুমি বলছ আমি কালই অফিস যেতে পারব?” “কেন পারবে না? সকালে ঘুম থেকে উঠলেই দেখবে কী রকম ফ্রেশ ফিল PAG |’ 'সে না হয় বুঝলাম।' Por অপাঙ্গে সুমনকে দেখল। শেষে বলল, few মায়ের সঙ্গে তুমি দেখা করছ কবে? মানে এই ঘটনার পর আর কি দেরি করা ঠিক?' সুমন তাকে আশ্বাস দিল, 'মিথ্যে চিন্তা করছ তুমি। আমাদের বিয়ের কথা বলতে খুব শিগগিরই তোমার মায়ের সঙ্গে দেখা Fafa কিন্তু ওটা যে সত্যি নয়, নিতান্তই স্তোকবাক্য, দিন পনেরো বাদেই সুতপা সেটা টের পেল। সাত-আট দিন সুমনের পাত্তা নেই। আর টেলিফোনও করেনি। সুতপার খুব ভাবনা হচ্ছিল। হঠাৎ কোনো অসুখ-বিসুখ করল না তো? কিন্তু সুমনের ঠিকানাও সে জানে না। তবে অফিসের ফোন নম্বরটা তার লেখা আছে। শেষ পর্যন্ত একদিন বেলা আড়াইটে নাগাদ সুমনের অফিসে সে ফোন করল। সুমন দত্তর নাম বলতেই টেলিফোন অপারেটর তাকে এক্সটেনশনে লাইনটা দিয়ে বলল, 'আপনি এইখানে কথা বলুন BAIA থেকে সাড়া এলো, 'হ্যালো।' সুতপা সঙ্কোচের সঙ্গে শুধোল, 'আচ্ছা, সুমন দত্ত, আপনাদের কোম্পানির ইঞ্জিনিয়ার। তাকে একটু ডেকে দেবেন? ভদ্রলোক হেসে জবাব দিলেন, 'ডাকলেও তো সে আসতে পারবে না। 'কেন?' “সে তো এখন দুবাইতে। কোম্পানির সঙ্গে পাঁচ বছরের কনট্র্যাক্ট সই করে দুবাই চলে CARY 'দুবাই চলে গেছে?” সুতপা অস্ফুটে শুধোল, “BS দিন আগে?” “বেশি দিন নয়, এই তো সাত-আট দিন হল।' ভদ্রলোক কপট উৎকণ্ঠার সঙ্গে শুধোলেন, 'আপনার কোনো আত্মীয়?” ‘MA! বলেই For লাইনটা ছেড়ে দিল। বাড়ি ফিরে বিছানায় শুয়ে রইল FS! সে ভাবছিল ওই অমানুষটার কথা। কী সাঙছ্ছাতিক লোক। একটি মেয়ের সঙ্গে বন্ধুত্ব পাতিয়ে তার সর্বস্ব লুষ্ঠনের পর দিব্যি দেশ ছেড়ে পালিয়ে গেছে। পাঁচ বছর পরে হয়তো আর কলকাতাতেই ফিরবে না। দিল্লি, বাঙ্গালোর কিংবা মুম্বাই কত জায়গা তো আছে। তবু প্রথমে



Leave a Comment