সাধু সন্তের জীবনে অলৌকিক রহস্য [খণ্ড-১] | Sadhu Santer Jibane Aloukik Rahasya [Vol. 1]

বই থেকে নমুনা পাঠ্য (মেশিন অনুবাদিত)

(Click to expand)
RS লাগল বন্কিমচন্দ্রের কপালকুণ্ডলার সেই কাপালিকের মত 'ব্যাপার নয় তো adie সম্ন্যানী কিন্তু একটিবারও নিগমানন্দের দিকে ফিরে চেয়ে দেখছেন নঃ, তাঁর অমুদরণ ও পলায়ন দুই-ই যেন ARMA কাছে সমান | . কিছুটা পথ চলার পর একটা পাহাড়ের সামনে এসে থামলেন সন্ন্যাসী, নীচে একটা পার্বত্য ঝরণা কুলকুল করে বয়ে যাচ্ছে। স্বামী নিগমানন্দ এর পরের ঘটনার একট মনোজ্ঞ বিবরণ দিয়েছেন। তিনি লিখেছেন-_ “এবানে এসে নে আমার দিকে তাকাল। কি সুন্দর মূততি! উজ্জল গৌরবর্ণ, বিশাল Vey, প্রশস্ত ললাট, ঘনকৃষ্ণ কৌকড়া- কৌকড়া চুল, লম্বা আকর্ণ বিস্তৃত চোখ, চোখে মুখে যেন জোতির ছটা বেরুচ্ছে। দেখে বিস্মিত ও আনন্দিত হলাম। মনপ্রাণ ভক্তিতে আপ্লুত হয়ে গেল । কখন জানি ai, আপনা হতে শরীর Sta চরণে লুটিয়ে পড়লো।-..তিনি আমায় সঙ্গেহে হাত ধরে উঠিয়ে মধুর প্রাণ-গলানো স্বরে বললেন, বৎস, ABA রাস্তি শেষে আমাকে গাছতলায় দেখে, আর তোমাকে আমার সঙ্গে আসতে বলায়--বোধ হয় অবাক হয়েছ, ভয়ও পেয়েছ! আমি কিন্ত আগেই জেনেছিলাম তুমি কে, কি জন্য ঘুরছো, তোমার gota কি, কি জন্য গাছের উপর ছিলে। আমার কাছেই তোমার নোবালনা faa হবে। ভাই তোমাকে নিয়ে আসবার জন্য আমি গাছতলায় গিয়ে বসেছিলাম ।* নিগমানন্দ বিস্ময়ানন্দে অবাক্‌ হয়ে সন্্যামীর মুখের দিকে চেয়ে ইলেন। এই সন্ন্যালীই তাহলে তার ঈশ্বর-নির্দিষ্ট যোগীগুরু ! পরে জানতে পারলেন এই সন্ন্যাসীর নাম স্ুমেরদাস [হারাজ। পাহাড়ের উপরে খানিকটা উঠে সন্ন্যাসী এক জায়গ৷ থেকে BAe একখানা পাথর ঠেলে দিতে দেখা গেল প্রকাণ্ড এক গুহা। হাতে ছুটি প্রকোষ্ঠ। একটিতে দণ্ড কমওলু ও আসন, অপরটিতে



Leave a Comment