গান্ধী-হত্যার কাহিনী | Gandhi-hatyar Kahini

বই থেকে নমুনা পাঠ্য (মেশিন অনুবাদিত)

(Click to expand)
' গানী ইভ্যার কাহিনী” নয়! অনৈক দিন আগে: থেকেই! কেশের এই অকলিপক্কতা। ভর প্রাথমিক শিক্ষা এক খৃষ্টান মিশনারি স্কুলে। কিন্তু সেখানকার প্রভা- বেই গড়ে উঠে নি তার মনোভাব। মিশনারির সংস্পর্শে 'মিশন' হারান নি তিনি। আগাগোড়া তিনি গোড়া হিন্দু। জীবনে ডিপ্লোমা একটি পেয়েছিলেন, সেটি দর্জির। fea দোকানের দরঞ্জাও খুলেছিলেন কিছুদিন। ১৯৩৭ সালে বীর সাভারকরের সঙ্গে ঘটে তাঁর পরিচয়। তাঁর কর্্বসচিব হয়ে কিছুকাল এখানে-ওখানে ঘুরে বেড়ান ayaa | আগে ছিলেন তিনি রাষ্ট্রীয় স্বয়ং সেবক সজ্ঘের সভ্য |. পরবর্তী জীবনে গ্রহণ করেন সাংবাদিক ব্রত | পুণায় একটি মারাঠি পত্তিকা প্রকাশ করেন ১৯৪৪ সালে, aty “অগ্রণী”। কিছুকাল পরে সেটির প্রকাশ বন্ধ হয়ে গেলে অন্ত একটি পত্রিকার সম্পাদনা ZH করেন, সে-পত্রিকাটি “হিন্দু রাষ্ট্র” | কাচি ও কলম-চালানো হাত-যে পিস্তল চালাতেও কাচা নয়, গান্ধীজীকে নিজ হস্তে গুলী করে এই কথাই প্রমাণ করলেন তিনি, যদিও, সে-প্রমাণ বিশ্ময়কর! বিনায়ক দামোদর সাভারকর হিন্দু মহাসভার ভূতপূর্ব সভাপতি এই বিপ্লবী বীরের অভূতপূর্ব জীবনীর সঙ্গে অল্পবিস্তর পরিচয় আছে শিক্ষিত ভারতবাসীর | মারাঠা জাতি চিরকাল স্বাধীনতা ও বীরত্বের উপাসক। সেই জাতিরই এক মহান বংশে জন্মেছিলেন রাজনীতিবিশারদ নানা ফাড়নাবীশ, জন্মেছিলেন ভারতের প্রথম স্বাধীনতা-সংগ্রাম সিপাহী-বিদ্রোহের - অন্যতম ৮



Leave a Comment