ব্রহ্ম-প্রবাসে শরৎচন্দ্র | Bhramha-Prabase Saratchandra

বই থেকে নমুনা পাঠ্য (মেশিন অনুবাদিত)

(Click to expand)
সঙ্গীতানুরাগী TASH ঙ আমার পরোলোকগত বন্ধুটী, যাহার রূপায় শরংচন্দ্রের সহিত আমার পরিচয় লাভের সৌভাগ্য ধটিয়াছিল, আমাকে খুড়ো সম্বোধন করিতেন। একদিন মামাকে বলিলেন, 'চল খুঁড়ে, আজ শরৎদার গান হবে হনে আদি। CARA তখন একমাত্র 'বেঙ্গল মোস্থাল ata ছিল বাক্গালীর face প্রায়ই সেখানে গীত বাদ্ধের অনুষ্ঠান হইত। দুই একজন স্থর-লয়ের ওস্তাদ সেদিন উপস্থিত ছিলেন Stata zene ধরিয়া তবলা তানপুরার সঙ্গে নানারকম সুরের কসরৎ দেখাইয়াও লোকজনকে তেমন fara করিতে পারিলেন বলিয়া মনে হইল ay)? সেইদিনকার গানের মজলিসে গান হয়ত স্থরে-লয়ে জমিয়াই উঠিয়াছিল ৷ কিন্তু আমাদের মত দুই চারজল অরসিকের কাছে কিছুই যেন ভাল লাগিতেছিল না। বন্ধুকে বলিলাম, 'না হে খুড়ো, আর ত ভাল লাগছে না; চল এইবার সরে পড়া We! বলে এলে তোমার শরৎদার গান হবে। শরংবাবু দেখছি কেমন মুষড়ে গেছেন” এইবার খুড়ো আমার কথার চোটে শরৎদাক গিয়া ধরিয়| afer) শরৎবাবুর ত অসংখ্য ওজর আপত্তি। “ওহে, আজ থাক, আরেকদিন হবে। আজ যে AH চলেছে চলুক, অন্যরকম Re করলে লোকজন সব চটে ATA? খুড়ো সকলের সামনে টাড়াইয়া যোড় হাতে বলিল, 'এবার আপনারা দয়! করে দু একখানা বাংলা গান বোধ হয় শুনতে রাঙি হবেন?” বলিতেই সকলে প্রায় একবাক্যে ইহ] সমর্থন করিল। তবলার ওস্তাদ



Leave a Comment