একূল ওকূল | Ekul Okul

বই থেকে নমুনা পাঠ্য (মেশিন অনুবাদিত)

(Click to expand)
বাসায় এসে স্ত্রীকে রমেন সব THT! সব মানে যতটুকু বলা ay, যে ভাবে বললে খুসি হ'তে পারে নীলিমা । দিল্লী তো এমন কিছু দূর নয়, চুটিছাটায় রমেন তো আসবেই | আর কেবল রমেনের আসাই বা কেম, নীলিমাও তো একদিন যাবে। তারপরে ছুজনে মিলে দেখবে দেশ, দেখবে গোটা ভারতবর্ষকে । সমস্ত পৃথিবীটাই যখন মানুষের হাতের মুঠোর মধ্যে গিয়েছে, তখনো কেবল এই কলকাতা আর বিরামপুর ছাড়া কিছু চিনল না রমেন আর নীলিমা, তখনো বহির্বাংলা তাদের কাছে গ্রহান্তর, লোকান্তরের সমান | একি কম ছুঃখের, কম আপশোষের Sat নীলিমা খুসি হয়ে একবার অনুমতি দিক রমেনকে | কিন্তু নীলিমার মুখ ভার হোল, চোখ উঠল ছল ছল ক'রে। বল্ল, 'তার দরকার কি, আমি যাই দেশের বিরামপুরের বাড়িতে, তুমি এখানে কোন একটা মেসে হোটেলে থেকে অন্য চাকরি খুঁজে ares আমি তো safer যে বাসা করেই থাকতে হবে, সারা বছর কাছে কাছেই রাখতে হবে আমাকে ৷ কিন্তু দিল্লী তোমাকে আমি কিছুতেই যেতে দিতে পারব না 1 রমেন বিত্ত ভঙ্গিতে একটু হাসল, 'তাতে লাভটা কি হবে । একবার চোখের আড়ালেই যদি গেলাম, যেখানেই যাই না, কলকাতাই হোক, দিল্লীই হোক, আর মেসোপটেমিয়াই হোক, তোমার কাছে তো সেই একই কথা ॥' নীলিমা মাথা নেড়ে বলল, “Al একই কথা নয়। কলকাতায় থাকলে - তবু মনে মনে ভাবতে পারব আমার চেনা জায়গায়, আমার দেখা জায়গায় রয়েছ । আমি যদিও আর থাকবনা তবু একদিন তো ছিলাম একথা তুমি ভুলতে পারবেনা রমেন বলল, “আর সেখানে গেলেই বুঝি ভুলব 9” নীলিমা বলল, “তাছাড়া কি ! এখানে বাস! ছেড়ে দিলেও রোজ তুমি অফিসের পর একবার এই বাসার কাছ দিয়ে ঘুরে যাবে, আর মনে পড়বে আমার কথা । আমিও মনে মনে ভাবতে পারব, দিনের কোন সময় কোথায় তুমি আছ। চিঠিপত্রে কোন রাস্তার নাম করলে কোন ১১



Leave a Comment