রাজকণ্যার নাম সুচিত্রা | Rajkanyar Nam Suchitra

বই থেকে নমুনা পাঠ্য (মেশিন অনুবাদিত)

(Click to expand)
তাহা সম্পূর্ণ কৃত্তিবাসের অনুকরন হইল ৷ সুন্দর সোনালী রৌদ্র আলোকিত মধুর প্রভাত। সীতাদেবী কুটারের বাহিরে আসিতেই দেখিতে পাইলেন এক মনমোহিনী নয়ন-মুগ্ধকর মনিমাণিক্য খচিতা হরিণী! অমনি শ্রীরামচন্দ্রকে কুটারের বাহিরে ডাকিয়া আনিয়া এ হরিণী দেখাইয়। উহা ধরিয়। দিবার জন্য araat ধরিলেন । তাহাও আবার জ্যান্ত ধরিয়। দিবার বায়না । প্রিয়তম প্রিয়ার অন্তুরোধ এড়ান অসম্ভব । শ্রীরামচন্দ্র হরিণী ধরিতে wyatt হস্তে ছুটিলেন। লক্ষণ বাধা দিল । বলিল-_-হরিণী কি কখনও মানিকের হইতে পারে? তুমি ফের। কিন্তু বিধির বিধান খণ্ডাইবে কে ? শ্রীরামচন্দ্র সীতাদেবীর অনুরোধ অবহেলা করিতে পারিলেন না। রামচন্দ্র কিছুক্ষণ হরিণী ধরিতে গিয়াছেন। সীতার মন প্রাণ উদ্বেল 1 কখন সেই মণিমাণিক্যের হরিণী লইয়া প্রভু উপস্থিত হইবেন । অকস্মাৎ একি! যেন Batyocwaz কার আহ্বান শোনা যাইতেছে! সীতাদেবী অস্থির zea “Smite বলিলেন। লক্ষণ উহাকে রাক্ষসের atal বলিয়া হাসিয়া উড়াইতে চেষ্টা! করিল। কিন্তু সীতার মন মানিবে কেন? তিনি লক্ষণকে অনুসন্ধান করিয়া আসিবার জন্য পীড়াপীড়ি করিতে লাগিলেন | অগত্যা! লক্ষণ অনুসরণ করিয়া কুটার হইতে faate হইল । অপরেশ নাটকের ঘটনার এই ade লিখিয়াছে এমন সময় খ্যাদা আসিয়া সেখানে প্রবেশ করিল |aia নাটকটির দিকে সোৎসাহে দৃষ্টিপাত করিয়! বলিল, “বা বাঃ একেবারে দেখি অনেকখানি লিখে ফেলেছিস্‌ | ভীমের পার্টট ভাল করে লিখলি তো !”অপর্েশ চক্ষু বিস্ফারিত করিয়া বলিল--“ভীম | ভীম আবারকোথায় ?”



Leave a Comment