কনভয় | Convoy

বই থেকে নমুনা পাঠ্য (মেশিন অনুবাদিত)

(Click to expand)
রামনন্দনের বয়স তখন আগঠাশ বছর ছেলেবেলা থেকেই ঘরে মন টে"কে না রামনন্দনের। ফাঁক পেলেই বাড়ী থেকে পালিয়ে যায়। বাবা একজন ছোটোখাটো জমিদার | কয়েকশো face জমি sta | বড় বড় কয়েকটা খামার । ছু-ছুটো রাইস মিল । সব মিলিয়ে ঘরে অর্থের প্রাচুর্ঘ। কিন্তু রামনন্দনের মতলব অন্য। চাষবাস খামার এসবে তার মন নেই । তার কেবল দেশ-বিদেশ বেড়াবার ইচ্ছা | আরও দুজন ভাই Ale! রামনন্দন বড়। অথচ তার উড়ো মন দেখে বাবা-মা ভয় পেয়ে ছেলের বিয়ে দিয়ে দিল । ফল উল্টো Val রামনন্দন আরও বেঁকে বসল। একদিন রাতে চুপি চুপি ঘর ছেড়ে পালিয়ে যাবার মুখে নতুন বউ পথ আটকে দাড়াল | রামনন্দনও নাছোড়বান্দা । অবশেষে রফা VA স্বামী-স্ত্রী দুজনেই ঘর Bor! সংগে নিল বেশ কিছু অর্থ আর বিয়ের সময় পাওনা গয়নাগাটি |বউকে নিয়ে ঘুরতে ঘুরতে রামনন্দন একদিন রেঙ্গুনে এসে হাজির হ'ল SGA নতুন বউ পুরোনো হয়ে গেছে। স্বামীর বেড়ানোর নেশা তাকেও পেয়ে বসেছে। কিন্ত রেঙ্গুনে এসে দুজনেই AZ! পড়ে গেল৷ সন্তানসম্ভবা বউকে নিয়ে আর ছোটাছুটি করতে সাহস VA না AMAT! অবশেষে রেঙ্গুনেই মাস তিনেক পর একদিন গভীর রাতে রামকিশন বাজো রিয়ার জন্ম হ'ল |ছেলেকে পেয়ে স্বামী-স্ত্রী দুজনেই খুব খুশী । কিন্তু এতটুকু ছেলে সঙ্গে নিয়ে আর বেড়ানো চলে না। অগত্যা সংসার |সংসার হলেই ঘর চাই। এতদিন পর রাজস্থানের বাড়ীর দিকে মন টানল রামনন্দনের। একবার ভাবল এবার নিজের দেশে ফিরে যাবে। কিন্তু অনেকদিন কেটে গেছে। ইতিমধ্যে বাড়ীর কোন খোঁজ-খবরই রাখে নি। তাই হঠাৎ বাড়ী ফিরতে কেমন বাধে বাধো ঠেকলো ৷ অবশেষে স্ত্রীর সঙ্গে পরামর্শ ক'রে দেশের ঠিকানায় বাবার নামে রামনন্দন একটা পত্র ছাড়ল |১২



Leave a Comment