খণ্ড গ্রহণ | Khanda Grahan

বই থেকে নমুনা পাঠ্য (মেশিন অনুবাদিত)

(Click to expand)
১৮ খণ্ড গ্রহণযাওয়া প্রাণের মতো। এখানে মাতামাতি নেই, কোনো লড়াই নেই অথচ ভোট আছে সত্তর শতাংশ।সেদিন অবনী বলছিল-_অবশ্যই ভোটে তার দল হেরে যাওয়ার পর-_ সেলিয়ভাই, আবিরকে দেখে অনেক কিছু শেখার আছে। ওরা বলে মানুষকে আঘাত করতে নেই। আহত করতে নেই, তাদের মতামতকে গুরুত্ব দিতে হয়, বোঝাতে হয় কোনটা ঠিক কোনটা Wal ওরা বলে মিছিল পালটা! মিছিল, সেখান থেকে উত্তেজনা-_সুযোগ নেয় সুযোগসন্ধানীরা, তারা ঘোলা জলে নেমে পড়ে মাছ ধরতে, আমরা সে সুযোগ দেব কেন?লিয়াকত আলি বলেছিল-_-আমরা বিরোধী বলে ওরা কখনও দূরে সরিয়ে রাখেনি। তাই ওদেরকে শ্রদ্ধা করতে ইচ্ছে করে। ওরা যদি কোনো দিন তেমন করে ডাকে শুধু ওদের জন্য ওদের কাছে চলে যেতে বাধবে না। কিন্তু নজরুল বসন্তরা কেন ওদের মতো নয় বুঝে উঠতে পারছি না।বুঝে লাভ নেই। আসলে ওরা ওদের মতো করে মনে করে, বিভাজন রেখা রাখা দরকার।জানো লিয়াকত, ঠিক এই কারণেই ওদের পছন্দ নয় আবির বা সেলিমভাইকে, ঠিক এই কারণেই সেলিমকে সরিয়ে দিল নিজেদেরকে ETS করতে।আবিরকে তো পারল না।চেষ্টা করেছিল। কিন্তু সুদর্শন সরখেল আছে যে।সবাই সেলিম নয়। বর্তমান প্রজন্মের নেতৃত্ব পছন্দ করে না ys মনোভাবাপন্ন সেলিমকে। তারা চায় GAG থাক পারস্পরিক দ্বন্দ্ব। চায় বিপদে পড়ে ছুটে আসুক সাহায্যের Gey | তারপর যা করতে হয় হিসেব কষে করব। দরকার হলে ....।ওপরতলার নেতৃত্বরা এসব জানে atl তারা জানে সব ঠিকঠাক চলছে। না চললে এভাবে দীর্ঘদিন থাকা যেত না। তা ছাড়া তাদেরকে যদি সব খবরই তদন্ত করতে হয় তাহলে তো দেশ লাটে উঠে যাবে। এর সুযোগ নেয় বসন্ত নজরুলরা, তারা ছড়ি ঘোড়ায়, তাকাতে বলে ঘূর্ণায়মান Boa দিকে। না তাকিয়ে থাকতে পারলে কপালে জোটে দুর্দশা।লিয়াকত বলে-_-না, অবনীদা এসব বেশি দিন চলতে পারে ATI ওরা কথায় কথায় ছমকি দেয়, বাড়ির পাশ দিয়ে মিছিল নিয়ে গেলে শ্লোগান তুলে “কালো হাত গুঁড়িয়ে দাও ভেঙে দাও”, তখন ভয় হয়। আমরা তো মানুষ, বিশেষ করে বাঙালি। আমরা প্ররোচিত হয়ে যাই খুব সহজে। সেই ফাঁদে পা দিলে বা দিয়ে যদি



Leave a Comment