ভারতবর্ষ [বর্ষ-৩৪] [খণ্ড-১] | Bharatbarsha [Yr. 34] [Vol. 1]

বই থেকে নমুনা পাঠ্য (মেশিন অনুবাদিত)

(Click to expand)
আযাচঢ়--১৩৫৩ | কিন্তু মানসিক frm কর্তৃক মন্তিক্কের আণবিক ক্রিয়ার উৎপত্তির ধারণা যেমন আমি করিতে পারি না, তেমনি মস্তিষ্কের আণবিক ক্রিয়া কর্তৃক কিরূপে মানসিক ক্রিয়ার উৎপত্তি হয়, তাঁহার ধারণা করিতেও আমি wad যাহা কল্পনাতীত, তাহ! যদি অগ্রাহ হয়, তাহা হইলে উভয় মতই আমার বর্জন করা কর্তব্য। কিন্তু আমি দুই মতের কোনটিই বর্জন করিতেছি ai জড়বাদের yeas তথ্য সকল নির্ভয়ে গ্রহণ করিয়াও আমি সেই wees মনকে ধূল্যবলুরষ্ঠিত হইয়া প্রণাম করিতেছি, যাহার স্বকীয় অস্তর্ভেদী ক্ষমতাও আপনার মধ্যে প্রবিষ্ট হইয়। তাহার তত্ববাবধারণে সমর্থ হয় নাই ।” আচার্য্য Perr যে স্বতশ্চলতাবাদীদের উল্লেখ করিয়াছেন, তাহাদের মতে sae won we বিশেষ । মন্তি্ক এই যন্ত্রের কেন্দ্র এবং তাঁহার ক্রিয়ার ছারাই যন্ত্র চালিত হয়। দেহের যাবতীয় চেষ্টা দৈহিক কারণেরই ফল, তাহারা কারণাস্তরের অপেক্ষা করে না। যাবতীয় মানসিক অবস্থ। কিন্তু দৈহিক ক্রিয়ারই ফল। তাহাদের স্বতন্ত্র অস্তিত্ব নাই। মস্তিষ্কের ক্রিয়া ব্যাতীত কোনও মানিক অবস্থাই উৎপন্ন হয় না। আমাদের ইচ্ছায় শরীরে যে চেষ্টার উদ্ভব হয়, ইচ্ছা মস্তিষ্কের ক্রিয়ার ফল afar সে শারীরিক চেষ্টাও afecead ক্রিয়ার ফল। এই মত যদি সত্য হয়, তাহা হইলে মৃত্যুতে মস্তিষ্কের নাশে ane মানসিক ক্রিয়ার অবদান হইতে বাধ্য । এই মতের একটু আলোচনা! আবপ্যক | মানসিক ক্রিয়া যদি মস্তিষ্কের ক্রিয়ার অবাস্তর ফল ( by-produots ) হয়, তাহা হইলে জিজ্ঞান্ত, এই অবান্তর ফল উৎপাদনে মস্তিষ্কের শক্তি ব্যয়িত হয় কি না। যদি এরূপ হয় যে মানসিক ক্রিয়াকে গণনার মধ্যে না ধরিয়াও দৈহিক শক্তি ঠিক থাকে, তাহার কোনও Carpet ঘটে না, তাহা হইলে বুঝিতে হইবে, মানসিক অবস্থার উৎপাদনে দৈহিক শক্তির কোনও অংশ ব্যয়িত হয় না, Conservation of 06185 র নিয়ম মনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নহে এবং মন জড় হইতে স্বতন্ত্র পদার্থ । আবার যদি দেবা যায়, দৈহিক শক্তির কিয়দংশ চৈতন্য ও মননের ( Consoious- ness & thought ) উৎপাদন ব্যাহত হয়; তাহা হইলে, Conser- vation of Energya নিয়মানুসারে দৈহিক শক্তির এই অংশ ay ফল উৎপন্ন করিয়া জড়ঙ্গগতে ফিরিয়৷ আসিতে সমর্থ । এ ক্ষেত্রে মনও জড়-নিরপেক্ষ ace, জড় ও মন-নিরপেক্ষ ace উভয়ে উভয়ের উপরে ক্রিয়া করিতে সক্ষম । স্থতরাং দেহের স্বতচলত্ব থাকে না। উপরি se তর্কের ফল vats হউক, আচার্য Peta safes e চৈতন্তযের মধ্যে আদান-প্রদানের সম্বন্ধ স্বীকার করিয়৷ লইয়াছেন। তবে কিন্নপে তাহা সম্ভবপর হয়, তাহা! বুদ্ধিগম্য নহে বলিয়াছেন। তাহাই যদি হয়, মস্তিষ্কের ক্রিয়া এবং মনের ক্রিয়ার পরম্পর সংযোগ যদি এমনি অচিস্তনীয় ব্যাপার হয়, Stel হইলে তাহাদের বিয়োগকে অসম্ভব বলিবার কোনও কারণ AS | অন্ততঃ দেহের সঙ্গে মানসিক জীবনকে অবিচ্ছেষ্ত বন্ধনে বীধিবার সপক্ষে উপযুক্ত প্রমাণ এখন te পাওয়া যায় নাই, এ SY নিঃসংশয়ে বলিতে পারা যায়। মৃত্যুতে দৈহিক শক্তির কি পরিণাম হয় তাহা দেখা যাউক। শক্তির saa পাসে তা রূপাস্তর হয় মাত্র। Gata, জলজান, অঙ্গার ও যবক্ষারজান পরষ্পর মিলিত হইয়া যে শরীর গঠন করিয়াছিল, মৃত্যুতে তাহারা পরষ্পর faye হইয়া প্রকৃতির সাধারণ তাঙ্তারে ফিরিয়া যায়। এই প্রত্যাবর্তনের সময় শক্তির ( Energy) একটুকুও নষ্ট হয় al; কিয়দংশ quoted ( potential state ) প্রাপ্ত হয়, অবশিষ্টাংশ নুতন রাসায়নিক পদার্থের গঠনে MTS হয়। কিন্তু এই শক্তির মধ্যে মনন ( thinking ), আবেগ ( feeling ) ও ইচ্ছ। ( willing ) সংক্রান্ত কোনও শক্তি খু জিয়া পাওয়া যাইবে না। এই সমস্ত মানসিক frat যদি “শক্তি” সংজ্ঞার অন্তর্গত হয়, তাহা হইলে তাহারা! যখন উপরিউক্ত শক্তির মধ্যে নাই, তখন তাহাদের স্বতন্ত্র সত্তা থাকে, ইহা স্বীকার করিতে হইবে। আর তাহারা যদি শক্তিই না হয়, তাহা হইলে তাহারা ভৌতিক জগতের বাহিরে অবস্থিত, Law of conservation of Energy তাহাদের উপর exatay নহে, এবং প্রাকৃতিক জগতের ভাগ্যের সহিত তাহাদের কোনও সম্পর্ক নাই, বলিতে হইবে । চেতঙ্তযকে দেহের Bates সরঞ্জাম বলিব, অথচ দেহের সঙ্গে তাহার বিনাশ অবস্যস্তাবী বলিব--ইহা স্ববিরোধী উক্তি মাত্র । REA দেখা যাইতেছে, মৃত্যুতে দেহের বিনাশ হয় বলিয়৷ দেহের সঙ্গে দেহাধিষ্টিত চৈতন্কেরও বিনাশ হইতেই হইবে, এমন কোনও যুক্তি নাই। মৃত্যুতে চৈতন্তের ব্যবহারিক নিদর্শনের লোপ হয় সত্য, কিন্তু ay নিদর্শনের সম্ভাব্যতার বিরুদ্ধে কোনও যুক্তি মৃত্যু হইতে পাওয়া যায় না। এখন আপত্তি হইতে পারে উপরিউক্ত যুক্তি অনুসারে ইতর জীবেরও দেহান্তরিত সত্তা থাকা সম্ভব। ইতর জীবের অনুভূতি, প্রত্যয় ও সহজাত বুদ্ধি এবং তাহাদের মস্তিষ্কের ক্রিয়ার মধ্যেও আচাধ্য Petar “চুর্লজ্ঘা PAA” বর্তমান, এবং তাহাদের দেহের বিনাশের সঙ্গে সঙ্গে তাহাদের চৈতন্যেরও যে বিনাশ হইতেই হইবে, ইহা বলা সম্ভব নহে। ইতর জীবেরও যে আত্মা আছে এবং দেহের সঙ্গে তাহার বিনাশ হয় না, এ মত আমাদের দেশে অতি প্রাচীন কাল হইতেই প্রচলিত আছে, অস্তত্রও প্রচলিত ছিল, কিন্তু খৃষ্টীয় ধর্মের প্রস্তাবে বর্তমানে অনেকের ইহাতে ata নাই; কিন্তু ইহার মধ্যে অযৌক্তিক কিছু নাই এবং যুক্তি দ্বারা ইহার খণ্ডনও VTA AZ! এই মতে জীবাস্মার যে কেবল FY নাই, তাহা নহে--তাহার Bre নাই, তাহা অজ,নিত্য, শাখ্বত, স্বীয় কর্মের পুরস্কার ও শাসন্তিরপে ata যোনি প্রাপ্ত হয় ; আজ যে কাট যোনিতে আছে, কাল সে মানুষযোনি প্রাপ্ত হইতে পারে, যে মানুষ আছে ছুষ্কতির ফলে সে পশুযোনিতে জঙ্মিতে পারে Gs মতের খণ্ডন সাধ্য A হইলেও, amiga বৈজ্ঞানিক ভাবে ইহার প্রতিষ্ঠা হুদাধ্য নহে। ইতর জীবের অহংকারিক একত্ব ( personal identity) আছে কি না, সন্দেহের বিযয়। মানুষে এই একত্ব পুর্ণভাবে বর্তমান | কৈশোর হইতে মৃত্যু পর্থান্ত আমার অভিজ্ঞতা আমি আমার নিজের অভিজ্ঞতা বলিয়াই জানি। পঞ্চম বৎসর যখন আমার বয়ঃক্রম ছিল, তখনকার “আমি” আর আজকার বৃদ্ধ বয়সের আমি যে একই ব্যক্তি, সে সম্বন্ধে আমার কোনও সন্দেহ নাই, যদিও আমার তখনকার দেহ ও বর্তমান দেহের



Leave a Comment