পরিচয় [বর্ষ-৩৪] | Parichay [Yr. 34]

বই থেকে নমুনা পাঠ্য (মেশিন অনুবাদিত)

(Click to expand)
১৩৭১] মহুষি দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর >উন্মত্ততা হয়, তাহলে তা বর্জনীয়, কারণ তা স্বাজাত্যবোধ-বিরোধী এবং সেই বোধ উন্মেষের পরিপহী |তৃতীয় পথ মাতৃভাষায় বিদ্যাঙ্ছলীলনের পথ। তার জন্য আমাদের মাতৃভাষা বাংলা এবং ভারতীয় ভাষার উৎস-স্বরূপ ক্ল্যাসিকাল সংস্কৃত ভাষার FAS ARMA MIs | যতদূর সম্ভব আধুনিক জ্ঞানবিজ্ঞানের অন্গলীলনও মাতৃভাষার মাধ্যমে করা কর্তব্য ।“তত্ববোধিনী সভা” এই সব কঠোর কর্তব্য সাধনে ব্রতী Sql প্রথমে দেবেন্দ্রনাথের নিজের আত্মীয়-স্বজন ও বন্ধুবান্ধব মিলিয়ে যে-সভার মাত্র ১০ জন সভ্য ছিল, তিন বছরে তার সভ্যমংখ্যা হুল ১৩৮ জন, এবং আরও কয়েক বছরের মধ্যে PSA এই AGIA) বেড়ে ৫০০ থেকে ৮০০ AGH হল। বাংলাদেশের শিক্ষিত মধ্যবিত্তের অধিকাংশই “তত্ববোধিনী সভার প্রাঙ্গনে, দেবেন্রনাথের আহ্বানে সমবেত হয়েছিলেন। ডিরোজিয়ানরাও শেষ পধস্ত এই সভার আশ্রয়ে মনে হয় স্বস্তিবোধ করেছিলেন এবং সম্বিত.ও ফিরে পেয়েছিলেন ৷ বিদ্যাসাগর ও অক্ষয়কুমার দত্তের প্রতিভা ও মানসতা এই 'তত্বোধিনী Hors অঙ্কুল পরিবেশেই প্রতিপালিত ও পরিপুষ্ট হয়েছ। এমনকি ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্তের মতো স্বভাবকবি, হিন্দুধর্মের প্রতি যথেষ্ট গৌড়ামি Cs) AGS, জাতীয় ভাষা ও জাতীয় আচারাদি অঙন্গলীলনের আকর্ষণে “তত্তববোধিনী সভা'র অন্যতম অনুরাগী হয়েছিলেন। এই দৃষ্টান্তগুলি থেকে 'তত্ববোধিনী সভার প্রভাবের ব্যাপকতা খানিকটা অঙ্গমান করা যায়! দেবেন্দ্রনাথের কীতির এতিহামসিক গুরুত্ব যে কতখানি তাও এই দৃষ্টান্ত থেকে কিছুটা Hes বিচার করা সম্ভব |দেবেন্দ্রনাথের জীবনে চতুর্থ মাইলস্টোন হল ১৮৪৩ সাল। এই বছরে আগস্ট মানে তিনি “তত্ববোধিনী পত্রিকা” প্রকাশ করেন এবং ডিসেম্বর মাসে (২১ ডিসেম্বর, ৭ পৌষ ) তিনি কুড়ি জন বন্ধুসহ রামচন্দ্র বিদ্যাবাগীশের কাছে ত্রাহ্মধর্মে দীক্ষ! গ্রহণ করেন। তার জীবনের পব্বাস্তর ea, ব্রাম্মসমাজের জীবনেও একটা নতুন অধ্যায় উন্মুক্ত হয়। দেবেন্দ্রনাথের ভাষায় “পূর্বে ব্রাহ্মসমাজ ছিল, এখন ব্রাম্ধধর্ম হইল ।” বিদ্যাবাগীশ বলেছেন, “রামমোহন রায়ের এইরূপ উদ্দেশ্য ছিল; কিন্তু তিনি তাহা কর্মে পরিণত করিতে পারেন নাই। outta পরে তাঁহার ইচ্ছা পূর্ণ হইল ।” আগে যে-ব্রাহ্মসমাজ ছিল:



Leave a Comment