অন্ধ-প্রেম | Andha-prem

বই থেকে নমুনা পাঠ্য (মেশিন অনুবাদিত)

(Click to expand)
১০ অধ্ধ-প্রেমহাতের আন্দাজে টের পেল তার বাঁয়া তবলাও আছে৷ সে হাততুলে ঈশ্বরের উদ্দেশ্বো প্রণাম করে গান ধরল-_ | ব্হোগ “আজি আলোর ভুবনে, কাননে কাননে কত না ফুটিল ফুল; যাহা কাছে পাই সকলি হারাই, তবুও ভাঙে না মনের ভুল ৷” গান শেষ হতে না হ'তে বিশু মাঝি চা-বিস্ক,ট নিয়ে এসে জ্যোতির চোখে জল দেখে । নিজের চোখের জল আর ধারে রাঁখতে পারল না, ধরা গলায় বলতে লাগল-_, “কাদছিম্‌ কেন? কান্না দিয়ে কি কান্নার কপাল মোছা যায় রে বোকা? হাস-হাসি দিয়ে কান্নার কপালকে fam কর, দেখবি--কান্না আর ঠাই পাবে না, জীবনে কান্না তো আছেই, তাকে পাত্তা দিতে CAS) পাত্তা দিলে সে পেয়ে বসে বুঝলি ।” বলে চায়ের ভাড় ও বিস্ক,ট জ্যোতির হাতে ধরিয়ে দিল | এক বৃদ্ধ ভদ্রলোক একটু দূরে দাড়িয়ে সব শুনছিলেন; কাছে এসে একটা পাঁচ টাকার নোট বিশুর হাতে দিয়ে বক্লেন_, “এটা ওর ary রাখ” বিশু--, “আজ্ঞে আপনি !” ভদ্রলোক, “আমি এই পথে যাচ্ছিলাম।” বলে চলে গেলেন। ইত্যবসরে স্কুলের ছেলে মেয়েরা এসে ae) sat fae বল্ল-_, “মা, তোরা থেয়ায় যা, আমি যাচ্ছি।” কেবল ara কাছে এসে জ্যোতিকে জিজ্ঞাসা করল--, “আচ্ছ। তোমার কে আছে ?” জ্যোতি--.“কেউ না ভাই এক ঈশ্বর আর তোমরা সকলে, তোমাদের সকলের দয়! ও ভালবাসা আজ আমার পথের সম্বল” “আচ্ছা তোমায় কি বলে ডাকব >” জ্যোতি একটু হেসে বল্প--, “আমায় আমার নাম ধরে ডাকবে, আমার নাম শ্রীজ্যোতি Nae 1 বলেই আপন মনে আত্মগতভাবে Ww, কান cava নাম পদ্মলোচন। যেমন জো্যোতির কোন,



Leave a Comment