ফেলে আসা দিনগুলি | Phele Asa Dinguli

বই থেকে নমুনা পাঠ্য (মেশিন অনুবাদিত)

(Click to expand)
বাল্যকালের স্মৃতি 5মাকে যিনি গান শিখিয়েছিলেল cat পাড়ায়াপজ,র শাম ভাগবতরকে এখনো আমার মনে আছে। Ty ভাগবতর সে সময় মাকে নিয়মিত গান শেখাতে আসতেন না। মাঝে মাঝে তিনি আমাদের বাড়ীতে এসে তার শিল্পাকে ডেকে তাঁকে দিয়ে গান করাতেন | মার সঙ্গে তিনিও গান করতেন । ASA বছরেরও বেশী বয়স্ক শামু ভাগবতরের তখন চার পাঁচটা মাত্র দাত ছিল। কথা ভালো করে উচ্চারণ হ'তো ay | তবুও তিনি যথন অষ্টপদী গাইতেন তখন তাঁর ভক্তি-নিষ্টা দেখার মত ছিল। আজকাল অনেকে খুব মার্জিত ভাবে অষ্টপদী AA তা শুনতে অতটা ভালো লাগে না। পুরোনো ঢঙ়েগাওয়া অষ্টপদী গান wars আমার ভালো লাগে । মা ভোর বেলায় উঠে প্রদীপ জেলে Atti নিয়ে যথন অষ্টপদী গাইতেন তখন তা শুনতে বাড়ীর লোকেরা সব তাঁর চারপাশে জড়ো BTS |বাড়ীর কাজকর্ম সব দেখাশুনো করা, দাসীদের সঙ্গে ঘুরে ঘুরে তাদের দিয়ে কাজ করানো, তাদের সঙ্গে সহাহভূতির সঙ্গে ব্যবহার করা ছিল মায়ের স্বভাব-_ গরম কালে বাগানের শাকসজন্জধীতে জল ঢালার সময় W'S BBCI সঙ্গে যেতেন। সকালবেলায় দাসীদেয় ঘরদোর ধোওয়া-মোছার সময় APS তাদের সঙ্গে থাকতেন। আমাদের বাড়ীতে একজন স্ত্রীলোক অনেকদিন ধরে রান্নার কাঙ্গ করছিল। তাকে আমাদের পরিবারের এক অঙ্গ হিসেবেই আমরা দেখতাম। মা প্রায়ই রান্নাঘরের কাজে সাহায্য করতেন। শিবরাত্রি, আবনি আবিত্তম্‌ (শ্রাবণ মাসে তামিল ব্রাহ্মণদের উৎসব ) প্রভৃতি উৎসবের দিনগুলিতে ব্রাহ্মণদের দক্ষিণা, চাল, শাকসজ্জী দেওয়া আমাদের বাড়ীর একট] নিয়ম ছিল। বিশেষ বিশেষ উত্সবের দিনগুলিতে কি কি জিনিষপত্রের CAFTA তা সব ঠিক করা থাকতো, তাতে একটুও ভুল হতে না।আমার দিদি আর আমার মধ্যে যখন ঝগড়া হতো তখন মা সব সময় দিদির দোষ ধরতেন। “ও ভালো ছেলে, ও তোর সঙ্গে খুনশুটি, ঝগড়া করে না। খুনপ্তুটি GFE করিস ”--বলে মা আমাকে নিয়ে চলে যেতেন। আমি যে সব সময় নির্পরাধী ছিলাম তা মোটেই নয়ন, তবে মায়ের বিশ্বাস তাই ছিল।আমার মামা Nis ae মেনন পঞ্চাশ বছর বয়সে SIM যান । সেখান থেকে আর ফিরে আপেন নি। তিনি যেমন চেয়েছিলেন, কাশীতেই তার মৃত্যু Be |আমাদের পৈতৃক ভিটে থেকে কিছু দূরে আমার বাবা একটা গোল] বাড়ী করেছিলেন। সেখানে আমরা বাস করতাম। আমাদের বাড়ীর নাম “কীড়কেক পোট্টেভীডু'। বাড়ীর লোকেরা কষ্টেন্ছষ্টে দিন গুজরান করতেন। এই বাড়ী তৈরী করার AAT বাড়ীর বেড়া দিতে, ছাদ ছাইতে, বাগান তৈরী করতে বাবা তার ভাগনে-



Leave a Comment