ময়ূরাক্ষী | Mayurakshi

বই থেকে নমুনা পাঠ্য (মেশিন অনুবাদিত)

(Click to expand)
দিয়ে প্রত্যই তারা যায়-আসে। তবু চির-নূতন ৷ সুবিস্তীর্ণ মাঠে, ছায়াঘন বাগানে, নিয়ত প্রবাহিত নদীজলে কি যেন আছে কিছুতে পুরোনো হয় না।এদিকে, কমলপুরের দিকে, খেয়াঘাটের কিছু উপরেই স্নানের ঘাট। সরু এক ফালি রাস্ত। উঁচু পাড় থেকে এঁকে বেঁকে ঘাটে নেমে এসেছে। স্মানের সময় সে রাস্তা! মেয়েদের ভিজে কাপড়ের জলে এমন পিছল হয়ে থাকে যে নিতান্ত অভ্যস্ত বাক্তি ছাড়া আর কারও সে পথে ওঠা-নামা করা কঠিন । মেয়েরা পারে। তাদের অভ্যাস হয়ে গেছে। তারা ঘাটে awl নামিয়ে বসে দাত মাজে, নিজেদের ঘরক্ন্না স্ুখদুঃখের গল্প করে, GFF মধ্যে খেয়াঘাটে যারা পার হয় গুঠনের ফাঁকে তাদেরও দেখে নেয়। তারপর স্মান শেষ করে জলভরা qui কাখে নিয়ে ডান হাত দোলাতে দোলাতে অবলীলান্রমে উপরে উঠে আসে |উপরেই একটা বহুকালের প্রাচীন বটবৃক্ষ চারিদিক ছায়ায় waste করে ANTS | তারই নীচে দিয়ে গ্রামে আসার পথ । আলপথে একটু- খানি এসেই গ্রামের রাস্তা, আলের চেয়ে খানিকটা চওড়া । গ্রামখানি নিতান্তই ছোট। সকলেই চাষী গৃহস্থ । সম্মুখেই কয়েক ঘর কুমোরের বাস। তাদের শালের আগুনের ধোয়া অনেক TF থেকেও দেখা যায়। ওদিকে গ্রামের অপর প্রান্তে কয়েক ঘর হাড়ি-বাগ্দী বাস করে, গ্রাম থেকে একটুখানি বিচ্ছিন্ন হয়ে Mere জরাজীর্ণ ছোট ছোট চালাঘরে |কমলপুরে ভদ্রলোক AZ| তবে অবস্থার তারতম্যে বড় ছোট বিভেদ যে নেই তা নয়। এরা সক্লেই নিজের হাতে চাষ করে। এদের গল্পগুজব, আলাপ-আলোচনা যা কিছু সবই চাষ নিয়ে। এবারে এখনও পর্যন্ত বৃষ্টি না হওয়ায় সকলেই খুব চিন্তিত হয়ে আছে। এমন সময়ে একদা রাত্রে অতক্কিতে নামল বৃষ্টি । প্রবল বৃষ্টি। এত বৃষ্টি যে তার জন্যে কেউ প্রস্তুত ছিল না। যেমন ঝড়, তেমনি জল। মানুষ খুশী হবার অবকাশ পেল ali ঘর দোর সামলাতেই বিব্রত হয়ে৪



Leave a Comment