ব্যাধি ও তাহার প্রতিষেধ | Byadhi O Tahar Pratishedh

বই থেকে নমুনা পাঠ্য (মেশিন অনুবাদিত)

(Click to expand)
রোগ--বীজাণু | ৩সংক্রামিত হয়। ভূয়োদর্শন দ্বারা স্থিরীকৃত হইয়াছে যে, একটি মক্ষিকা তাহার পক্ষ ও পদের সাহায্যে ২৫০ দুই শত পঞ্চাশ হইতে ৬৬০০০০০ BRAG লক্ষ রোগ-বীজাণু বহন করিতে পারে।বীজাণুগণ BHAT । ইহাদের আকার এত AH যে অণুবীক্ষণ যন্ত্রের সাহায্য ব্যতীত আমরা os চক্ষুতে উহাদিগ্ে দেখিতে পাই না। কোন কোন রোগের বীজাণু অণুবীক্ষণেও আমাদের নয়নগোচর হয় না। বীজাণুর শারীরিক গঠনেরও বিলক্ষণ পার্থক্য আছে। কোন কোনটি বর্তুলাকার ; কোন কোনটি অনতিদীর্থ সরল রেখাকার। আবার কাহারও কাহারও দেহ জয়ঢাক বাজাইবার aoa অনুরূপ । ইহারা অত্যন্ত ক্লেশ- সহনশীল; বরফের মধ্যে রাখিয়া দিলেও এক একটি দীর্থকাল সজীব থাকে। “প্রখর রবিতাপে ও ফুটন্ত জলে সকল বীজাণুই গতায়ুঃ হয়।অণুদেহী হইলেও বীজাণুর শক্তি অসীম। একটি বিশাল- কায় বলিষ্ঠ জীবকে ইহারা অল্পকালের মধ্যেই অবসন্ন করিয়। ফেলিতে পারে! ভারতের প্রণিদ্ধ পলোয়ান্‌ গোলামের যখন ওলাউঠা হয়, তখন কয়েকবার মাত্র ভেদের পর তিনি এতাদৃশ দুর্বল হইয়া! পড়েন যে হস্তোত্তলন Siam পুত্রকে আলিঙ্গন করিতে পারেন নাই। তৎকালে দেই GAA বীরবর ক্ষোভে কম্পিতকণ্টে বলিয়াছিলেন “হায়! রোগের কি অমীম শক্তি | একদিন যে ae ছদ্বারা আমি অবলীলাক্রমে উপলখণ্ড



Leave a Comment