দিল্লী ওয়াশিংটন মস্কো [সংস্করণ-১] | Delhi Washington Moscow [Ed. 1]

বই থেকে নমুনা পাঠ্য (মেশিন অনুবাদিত)

(Click to expand)
স্বভাবতই নিজের কার্যকলাপের জলন্ত অজুহাত খোঁজে, এবং ফলে নিপীড়িতের প্রতি অনুকম্পা বা সহানুভূতির বদলে বহুক্ষেত্রে বিদ্বেষ ও বিরাগের পরিচয় মেলে | ইয়োরোপ এবং আমেরিকার শ্বেতসম্প্রদায় আফ্রিকার নিরীহ ও অসহায় নরনারীকে গৃহচ্যুত করেছে, দাসত্বে নিপীড়িত করেছে, এবং তারই প্রতিক্রিয়ায় তাদের মানুষেতর প্রাণী গণ্য করেছে। আমেরিকা যেদিন স্বাধীন হল, সর্বমানবের সাম্য ও এঁক্যের ঘোষণাবাণী প্রচারিত করে পৃথিবীর ইতিহাসে গণতন্ত্রের নতুন যুগ প্রতিষ্ঠা করল, সেদিন আমেরিকার শেঠ মনীযীরা নিগ্রোসমস্তার set ভোলেননি। তখনো সময় হয়নি বলে স্পট ভাবে নিগ্রোদের স্বাধীনতা ও সাম্য প্রতিষ্ঠার কথা তারা বলেননি বটে, কিন্তু স্বাধীনতার ঘোষণাবাণী এমন ভাবে রচনা করেছিলেন যে তার পরিপূণণ প্রকাশে নিগ্রোদের প্রতি অন্যায় দূর হতে বাধ্য |বস্তুতপক্ষে মার্কিন দেশে যারা feats ও উদারপ্রাণ, নিগ্রোসমনস্তা| নিয়ে তাদের মনে লজ্জা] ও ক্ষোভের অন্ত নেই। লিঙ্কনের নাম আমেরিকার সমস্ত প্রেসিডেণ্টদের মধ্যে বিশেষ সম্মানিত, এবং তার একটি প্রধান কারণ যে দক্ষিণ অঞ্চলে দাসত্ব প্রথা লোপ করে তিনি নিগ্রোদের নাগরিক অধিকার দিয়েছিলেন | প্রথম যখন এ সমস্যার উদয় হয়, তখন সম-অধিকারের কথা তিনি ভাবেননি, কিন্তু .একবার সমস্যা! সমাধানে অবতীর্ণ হয়ে তিনি দেখেছিলেন যে জাতির যে কোন অংশকে অপমানের অর্থ সমস্ত জাতির অপমান, দেশের কোন বিশেষ সম্প্রদায়কে দূর্বল রাখার অর্থ সমস্ত দেশের শক্তিহানি। আজো নিগ্রোজাতির অধিকার সর্বক্ষেত্রে পুরোপুরি স্বীকৃত হুয়নি। কিন্তু গত বিশ বৎসরে, এবং বিশেষ করে যুদ্ধের সময় এবং যুদ্ধ শেষে আমেরিকার নিগ্রোসম্প্রদায় যে ভাবে অগ্রসর হয়েছে এবং হচ্ছে; তাতে আশা করা যায় অদূর ভবিষ্যতে আমেরিকার সমাজ জীবনের এ কলঙ্ক দুর হয়ে যাবে। আজ দু'বছর হল আমেরিকার VAT কোর্ট বা সর্বোচ্চ আদালত যে যুগান্তকারী সিদ্ধান্ত করেছে, তার ফলে শিক্ষায়তনে বর্ণবিভেদের গ্লানি দুর হতে বাধ্য । যদি শৈশব থেকে শ্বেত অশ্বেত fatal অনিগ্রো বালক বালিকা স্কুলে কলেজে একই আবহাওয়ায় মানুষ হয়, তবে কালক্রমে বর্ণবিদ্বেষ ও বর্ণবিভাগ বিলুপ্ত হয়ে যাবে এ আশা ভন্তায় নয়।মার্কিন দেশের নরনারীর চরিত্রের আর একটা লক্ষণও সহজেই বিদেশীরচ৮



Leave a Comment