ভারতের বৈপ্লাবিক সংগ্রামের ইতিহাস [সংস্করণ-২] | Bharater Baiplabik Sangramer Itihas [Ed. 2]

বই থেকে নমুনা পাঠ্য (মেশিন অনুবাদিত)

(Click to expand)
[| wer |করিয়াছে । ১৯৪৬ সালের নৌ-বিদ্রোহ ভারতীয় সৈন্যবাহিনীর সম্মুখে সংগ্রামের এক নৃতন আদর্শ প্রতিষ্ঠিত sien দেখাইয়া গিয়াছে যে, ভারতীয় সৈন্যবাহিনীও ভারতের বিপ্লবী জনসাধারণেরই এক অবিচ্ছেদ্ধ অংশ, ভারতের বৈপ্লবিক সংগ্রামের এক যোগ্য অংশীদার |প্রকৃতপক্ষে ১৯৪৬ সালে শ্রমিক-কৃ্ষকের বৈপ্লবিক সংগ্রামের সঙ্গে সঙ্গে ভারতীয় নৌ-বাহিনীর বিদ্রোহে, স্থল-বাহিনীর বিদ্রোহে ও বিমান-বাহিনীর বিদ্রোহে ভীত হইয়াই ১৯৪৭ সালে fay সাম্রাজ্যবাদ আপসে কংগ্রেস ও মুসলিম লীগের হাতে ভারত-শাসনের ভার ছাড়িয়া দ্বিয়া সরিয়া দাড়ায়। ভারতীয় সৈন্বাহিনী প্রধানত ক্বষক-সম্তানদের লইয়াই গঠিত। ভারতীয় সৈন্তবাহিনী তাই ভারতের শ্রমিক-কৃষকের বৈপ্লবিক সংগ্রামের প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ অংশীদ়ারের ভূমিকাই পালন করিয়াছে |ভারতের বৈষ্বিক সংগ্রামের শিক্ষা(>) ভারতের মধ্যশ্রেণীর বিপ্লবৰাদ নিতুলভাবেই বুঝিতে পারিয়াছিল যে, বৈদ্বেশিক সাম্রাজ্যবাদই ভারতবর্ষের প্রধানতম ze | তাই এই বিপ্লবীরা সাম্রাজ্যবাদী শাসনের বিরুদ্ধেই তাহাদের সকল শক্তি সংহত করিয়াছিল। কিন্তু এই সাম্রাছ্যবাদ- বিরোধী সংগ্রামের কৌশল হিসাবে তাহাদের সকল ক্রিয়াকলাপ সাম্রাজ্যবাদী শাসনের কতিপয় কর্মচারীকে হত্যার মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল । মধ্যশ্রেণীর যুবশক্তি আর্থনীতিক ও রাজনীতিক দিক হইতে হতাশাচ্ছন্ন হইয়া সাম্রাজ্যবাদ-বিরোধী নংগ্রামে অবতীর্ণ হইলেও তাহারা তাহাদের সহজাত শ্রেণী-বিদ্বেষ বশত শ্রমিক-কৃষকের দিকে তাকাইতে পারে নাই, তাই তাহারা তাহাদের বৈপ্লবিক ক্রোধ প্রকাশের জন্য ব্যক্তিগত গুপ্তহত্যার আশ্রয় গ্রহণ করিতে বাধ্য হইয়াছিল। তাহাদের ধারণা ছিল, গুপ্তহত্যার ফলেই সাম্রাজাবাদী শাসনযন্ত্র অচল হইয়া পড়িবে এবং জননসাধারণ উৎসাহিত eer ae অভ্যুত্থানের মারফত বৃটিশ সাম্রাজ্যবাদের উচ্ছেদ করিবে।বিপ্লব সম্বন্ধে এবং কোন সমাজ-ব্যবস্থা পাণ্টাইবার উপায় সম্বন্ধে এই পেতিবুর্জোয়া বিপ্লববাদীদের কোন ধারণা না] থাকায় তাহারা কেবল গুপ্তহত্যা দ্বারাই সামাজ্যবাদী শাসন-ব্যবস্থাকে পাণ্টাইবার frat মশগুল হইয়াছিল। তাহারা ইহা বুঝিতে চাহিত না যে, কয়েকজন মুলধনীকে হত্যা করিয়া যেমন ধনতঙ্ত্রের পরিবর্তন ঘটানো 'যায় না, অথবা কয়েকজন জমিদার বা জোতদার হত্যা করিয়া যেমন সামস্ততঙ্ত্রের ' উচ্ছেদ করা যায় না, ঠিক cea কয়েকজন পুলিদ বা ম্যাজিস্ট্রেকে হত্যা করিয়৷ সাম্রাজ্যবাদী শাসন-ব্যবদ্থা ধ্বংস করা যায় না; শ্রমিক-কৃষক জনসাধারণকে সংগঠিত ও স্ষুদ্র-বৃহৎ সংগ্রামের মধ্যে পরিচালিত করিয়া বৈপ্লবিক গণ-অত্যুত্থানের দ্বারাই রাঁষ্ট- ক্ষমতা অধিকার করিতে হুয় এবং সাম্রাজ্যবাদী শাসন, একচেটিয়| ধনতন্ত্র ও সামস্ততন্ত্রের উচ্ছেদ করিতে হয়। ইহা তাহাদের পক্ষে অসম্ভব ছিল রণিয়াই ইহার পরিবর্তে সন্ত্রাসবাীরা ব্যক্তিগত বা wer হুষাহসিক, বীরস্বপূর্ণ কার



Leave a Comment