শ্রী শ্রী রামকৃষ্ণ পরমহংসদেবের জীবন-বৃত্তান্ত [সংস্করণ-২] | Shri Shri Ramkrishna Deber Jiban Brittanta [Ed. 2]

বই থেকে নমুনা পাঠ্য (মেশিন অনুবাদিত)

(Click to expand)
পরমহংসদেবের জীবনবুত্তান্ত | ৭চতুর্থ পরিচ্ছেদ।ডেট CBeeate ate ব্রতী হইয়া, অতি বিচিত্র ভাবে তাহা সম্পন্ন করিতে লাগিলেন তিনি নিতাস্ত আস্তরিক শ্রদ্ধাতক্তিসহকারে দেবীর পুজা করিতেন। কখন তাঁহাকে স্ববাসিত পুষ্প মাল্যাদির দ্বারা মনের সাধে স্্সজ্জিত ক রতেন, কখন বা দেবীর চরণকমলে কমল KAA অথবা fee জবা স্থাপন AAS অপূর্ব চরণ-শোভা সম্দর্শন ক্রিয়া আনন্দ-সাগরে নিম্ন হইতেন। কখন বা রামপ্রসাদী, কমলাকান্তের ও সময়াস্তরে নরেশ্চু্ প্রভৃতি শক্তি-সাধকগণ বিরচিত শক্তি-বিষয়ক Asem গান করিতেন । কখন বা কৃতাঞ্জলি qq হইয়া সরোদনে বলিতেন, “মা ! আমায় দয় কর্‌ মা, তুই মা রামপ্রনাদকে eat কর্লি, তবে আমায় কেন দয়া কর্বি না মা ! মা! আমি শাস্ত্র জানি না, মা! আমি পণ্ডিত নই মা, মা! আমি কিছুই জানি না, আমি কিছুই জানিতে চাহি না, তুই আমায় দয়! কর্বি কি না বল্‌? মা! আমার প্রাণ যায় মা, আমায় দেখা দাও; আমি অষ্টসিদ্ধাই চাই না মা, আমি লোকের নিকট মীন চাই না মা, লোক আমায় জাহক, মাসুক গলক, এমন সাধ নাই মা, তুই আমায় দেখা দে !” রামরুষ্ণ এইরূপে প্রত্যহ সন্ধ্যার পর আরতি সমাপন করিয়া একাকী দেবীর সম্মুখে উপবেশনপূর্বক রোদন করিতেন এবং দর্শনের জস্ত কতই প্রার্থনা করিতেন। যখন ভক্তেরা দেবদেবীর মন্দিরে প্রবেশ করেন, তখন তাহাদের হৃদয়ে যে কি অপূর্ব ভক্তির উদ্রেক হয়,তাহ! ভক্তমাত্রেই অঙন্গভব করিয়া থাকেন। উহা বাক্য অথবা শবের দ্বারা প্রকাশ করা রুখনই সাধ্যসঙ্গত নহে। এখন দেব-মন্দিরে দেবীর সম্মুখে, তাহাতে নির্জন স্থান, আবার তদ্‌সহ, বালকের সরল ও অকপট বিশ্বাস এবং অনুরাগ ৷ যে যে অবস্থা RE হইলে ঈশ্বর দন হয়, অর্থাৎ অঙন্গরাগ এবং অকপট বিশ্বাস, রামকষ্ণের তাহাই হইয়াছিল ৷ ঈশ্বরের 'প্রতি বিশ্বাস স্থাপন এবং তাহার চরণে Nats করা, প্রত্যেক ধর্শ্মের-মূল কথা, রামরুষ্ণও তাহাই করিয়াছিলেন। তিনি দ্বিবা রজনী ম৷ কালীর চিন্তায় fant থাকিতেন। ক্রমে প্রাণ ব্যাকুল হইয়া উঠিল। যখন প্রাণ কাদিল, যখন ব্রহ্ম দর্শনের জন্য প্রাণ ছুটিল, যখন জগতের সমুদয় বস্ত হইতে প্রাণ বিদায় গ্রহণ করিল, যখন প্রাণ ety দর্শনাভাবে ওষাগত হইল,তখন অস্তর্যামিনীও তাহা জানিলেন। একদিন ee দেবীর সম্মুখে উপবেশন করিয়া “মা! আমায় দেখা দে মা” বলিয়া



Leave a Comment