বাংলার কমিউনিস্ট আন্দোলনের ইতিহাস অনুসন্ধান [খণ্ড-৫] | Banglar Communist Aandolaner Itihas Anusandhan [Vol. 5]

বই থেকে নমুনা পাঠ্য (মেশিন অনুবাদিত)

(Click to expand)
১৮ বাংলার কমিউনিস্ট আন্দোলনের ইতিহাস অনুসন্ধানকমরেড নীলমণি বক্সা-_ ময়মনসিংহ জেলার তরুণ কৃষক কর্মী; ১৯৪০ সনে মারা যান। কমরেড মোহিনী মণ্ডল-_ মেদিনীপুর জেলা পার্টির অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা। আত্মগোপনকালে ১৯৪২ সাল মারা যান।কমরেড সোমেন চন্দ-- ৮ই মার্চ ১৯৪২ ঢাকায় কমিউনিস্ট লেখক ও ট্রেড ইউনিয়ন কী ২২ বছর বয়সে WHIPS গুণ্ডাদের ছুরিকাঘাতে শহিদ হন। তিনি ঢাকার “প্রতিরোধ” সাহিত্য'গোষ্ঠীর অন্যতম নায়ক ছিলেন। তার মৃত্যু বাংলাদেশের লেখক মহলে ব্যাপক প্রতিবাদের উদ্রেক করে এবং ২৮শে মার্চ ১৯৪২-এ এরই সূত্রে ফ্যাসিষ্ট-বিরোধী লেখক ও শিল্পী সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।কমরেড হরিপদ সিক্দার-_- ফরিদপুর জিলার মাদারীপুরের fea কমরেড ৩রা নভেম্বর ১৯৪২-এ ২৬ বছর বয়সে টাইফরেড রোগে মারা যান। সন্ত্রাসবাদী মামলায় তার ৫ বছর জেল হয়। ১৯৩৯ সনে মুক্তির পর থেকে তিনি কমিউনিস্ট কর্মী হিসাবে মুসলমান কৃষকদের কৃষক সমিতিতে সংগঠিত করার কাজে আত্মনিয়োগ করেন।কমরেড গোলাম শরীফ-_ ৮ই মে, ১৯৪২ জাপানী হাওয়াই জাহাজ চট্টগ্রামে বোমা ফেলে। সেই বোমায় ডক মজদুর কমরেড গোলাম শরীফের মৃত্যু হয়। তিনি চট্টগ্রাম ডক মজদুর ইউনিয়নের সংগঠক ছিলেন।কমরেড কিশোরী রায়-_ ১৮ই জুন, ১৯৪২ জলপাইগুড়ি জেলার কমিউনিস্ট কর্মী ডোমার কৃষক সম্মেলনে মিছিল নিয়ে যাবার প্রস্তুতিকাল সর্পাঘাতে মারা যান। সুন্দরদিঘি গ্রামের এক কৃষকের ঘরে তার ST প্রাদেশিক কৃষক সম্মেলনের মণ্ডপটিকে তারই না 'কিশোরী নগরী' নামকরণ করা হয়।কমরেড রমণী দাস-_ হবিগঞ্জ মহকুমার কমিউনিস্ট কর্মী ও বছুলা কৃষক সমিতির সম্পাদক। উত্তর হবিগঞ্জে কাজ করবার সময় ১০ দিন জ্বরে ভুগে ২৮শে জুলাই, ১৯৪২ মারা যান। কমরেড বিশ্বনাথ তেলী-_ কাছাড়ের কমিউনিস্ট কর্মী প্রায় এক মাস রোগ ভোগের পর মারা গেছেন। তিনি অরুণাবন্ধ চা-বাগানে প্রথম মজুর ধর্মঘটের সময়ে আন্দোলনে যোগ দেন ও কমিউনিস্ট পার্টিতে আসেন।কমরেড ব্রিলোচন হাজং-_ ময়মনসিং জেলার পাঁচগাও অঞ্চলে কৃষক সমিতির প্রতিষ্ঠাতা। ১৯৪২ সালে ৪৫ বছর বয়সে মারা যান।কমরেড তিলকধারী সিং-_- হাজিনগরের মজুর কর্মী অল্পদিন রোগ ভোগের পর মারা যান। কমরেড আশু হালদার-_ ১৬ই নভেম্বর, ১৯৪২ জেলা কৃষক সম্মেলন থেকে ফেরার পথে ২৪ ARN জেলা কৃষক সমিতির সহকারী সম্পাদক, কমিউনিস্ট পার্টি সদস্য মোটর দুর্ঘটনায় মারা যান। তিনি ছিলেন গরীব কৃষক ঘরের ABTA! ১১ বছর বয়সে তিনি জীবিকা অর্জনের জন্য কারখানার কাজে ঢোকেন।কমরেড অনস্ত মাইতি-_ ১৭ বছরের চক দুর্গাপুর নিবাসী তরুণ ম্যালেরিয়ায় মারা যান। তিনি ছিলেন জাপবিরোধী প্রচার বাহিনীর সর্বাধিনায়ককমরেড খগেন পাল-_ নোয়াখালির কমরেড, ৫ই ডিসেম্বর, ১৯৪২ কলেরায় মারা যান। কমরেড প্রভাত মণ্ডল-_ গার্ডেনরীচ লৌহ শিল্প কারখানার মজুর কর্মী, পার্টি সদস্য । ৩০শে



Leave a Comment