শরীরের গড়ন | Sharirer Garan

বই থেকে নমুনা পাঠ্য (মেশিন অনুবাদিত)

(Click to expand)
না খেলে শরীরের বাড় ভাল হয় না। এই চুন বা ক্যালসিয়ামে হাড় শক্ত করে। হাড়ের তিনভাগের দু” ভাগ ক্যালসিয়াম দিয়ে তৈরি হলে, বাকি থাকলো আর তিন ভাগের এক ভাগ। এই অংশটি জেলাটিন বলে একরকম নরম জিনিস দিয়ে তৈরি । এর acy হাড়ের যে সামান্য বাকবার FAS আছে, সেটা বজায় থাকে | আগে উপাস্থি, আধাহাড় বা কার্টিলেজের কথা বলা হয়েছে। বেশির ভাগ হাড়ই যখন নতুন থাকে, তখন সেই কাটিলেজ তৈরি হয়। যত বয়স বাড়ে হাড় তত পাকে ও শক্ত হতে থাকে । তাই ছোট ছেলেরা পড়ে গেলে তাদের নরম হাড় পুরোপুরি ভাঙে না, বড় জোর এক দিকটা একটু ফেটে যায়, কিংবা বেঁকে যায়। হাড়ের মাঝখানটা এক রকম জিনিস দিয়ে তৈরি । তাকে বলে হাড়ের শাস বা অস্থিমজ্জ। | হাড় শক্ত জিনিস হলে কি হবে, জ্যান্ত কোষ তার সব জায়গায় ছড়িয়ে আছে। এখন কোষ কি, তা এইখানে একটু পরিষ্কার করে বলছি | শরীরের সবচেয়ে ছোট জিনিসটির নাম কোষ। এব ইংরেজী নাম সেল । সেল বা কোষ কথাটি মৌমাছির চাকের কোষের কথা মনে করিয়ে দেয়। শরীরট৷ যেন মৌমাছির চাক -__হাজার হাজার, কোটি কোটি কোষ বা সেল দিয়ে তৈরি। একটা শরীরে যে কত কোষ আছে, তা গুণে বলা যায় না, আর সব কোষ এক রকম আকারেরও হয না, বিভিন্ন আকারের হয় | ১৪



Leave a Comment