পৃথিবীর সংক্ষিপ্ত ইতিহাস | Prithibir Sankhipta Itihas

বই থেকে নমুনা পাঠ্য (মেশিন অনুবাদিত)

(Click to expand)
মহাকাশে পৃথিবীআমাদের এ পৃথিবীর ইতিহাস এমন একটা কাহিনী যার অনেকটাই এখনও অজানা রয়ে গেছে। কয়েকশো বছর আগে পর্যন্ত মানুষ মোটামুটি গত তিন হাজার বছরের ইতিহাস জানত। তার আগে যা ঘটেছিল, তা ছিল নেহাতই কিংবদন্তী আর জল্পনা-কল্পনার ব্যাপার। সভ্যজগতের একটা বড় অংশ বিশ্বাস করত এবং তাদের শেখানো হত যে, খৃষ্টপূর্ব ৪**৪ সালে হঠাৎ একদিন এ পৃথিবীটা স্ষ্ হয়েছে-_যদিও এ কাটা সে বছরের VTS Al শরংকালে ঘটেছিল সে বিষয়ে বিশেষজ্ঞরা একমত হতে পারেন নি। fee বাইবেলের আক্ষরিক ব্যাখ্যা আর তারই সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কতকগুলো অযৌক্তিক ধর্মন্বন্ধীয় অঙ্নমানের উপর এই উদ্ভটরকমের wa অথচ ভ্রান্ত ধারণাটা গড়ে উঠেছিল। এ ধরনের ধারণাগুলো Wey ধর্মগুরুর| বহুদিন হল বর্জন করেছেন। এখন একথা সকলেই স্বীকার করে যে যতদুর মনে হয় আমাদের বাসভূমি এই পৃথিবী অপরিমেয় বা নিঃসীম কাল থেকে আছে। অবশ্য এ মনে হওয়াতে ভুল থাকতে পারে, যেমন, একটা ঘরের ছুদিকে মুখোমুখি দুটো আয়না বসিয়ে দেখানো যায় যে, ঘরটার যেন শেষ নেই । তবে, যে পৃথিবীতে আমরা বাস করছি সেটা মাত ছয় কি সাত হাজার বছর ধরে আছে, এ ধারণাটা আজ সম্পূর্ণ বাতিল বলে ধরে নেওয়া চলে |আজকাল একথা সকলেই জানে যে পৃথিবীটা প্রায় বতুলাকার--কমলালেবুর মত ওপর-নিচ একটু চাপা, আর এর ব্যাস প্রায় ৮*** মাইল। প্রায় আড়াই হাজার বছর ধরে অন্তত অল্প কয়েকজন বুদ্ধিমান লোক জানতেন যে পৃথিবীটা বতৃলাকার। কিন্তু তার আগে এটাকে চ্যাপট্রা মনে করা হত। পৃথিবীর সঙ্গে আকাশ, নক্ষত্র এবং গ্রহসমূহের সম্বন্ধ নিয়েও নানারকম ধারণা প্রচলিত ছিল, যেগুলো আজ wore আজগুবি বলে মনে হয়। আমরা এখন জানি যে, পৃথিবী প্রতি চন্রিশ ঘণ্টায় নিজের অক্ষের (যেটা নিরক্ষরেথার ব্যাস থেকে চক্বিশ মাইল কম) চারদিকে একবার ঘুরে আসে, সেই জন্যেই দিনের পর রাত এবং রাতের পর দিন হয়। আমরা এও জানি যে, পৃথিবী বছরে একবার করে কতকটা উপবৃত্তাকার আর ক্রমপরিবর্তনশীল এক পথেএইচ. জি. ওয়েলস্‌ ঃ



Leave a Comment