আমার স্মৃতিকথা | Aamar Smritikatha

বই থেকে নমুনা পাঠ্য (মেশিন অনুবাদিত)

(Click to expand)
ডা: আমার স্মৃতিকথা eer টানে ভাঁসিতে ভাসিতে ব্রিজের অপর দিকে লক্ষ্মীপুর গ্রামে গিয়া উপস্থিত | বহুকাল হইতেই চন্দনা নদীতে সাতার দেওয়া অভ্যাস ছিল, তাই রক্ষে! কোথায় বই, কোথায় কাপড় চোপড়! এক কায়স্থ বাড়ী হইতে €কখানি কাঁপড় সংগ্রহ করিয়| এদিনই টু-ডাউন ট্রেনে রতনদিয়া fara উপস্থিত ৷ তখনও বাবা বীচিয়| ছিলেন। তাহাকে বলিলাম “পড়াসুন] করা আমার aye ate, “বামুনপণ্তডিতি” করিব ।” বাবা বলিলেন, “না, তাহা হইবে ন|। তুমি রাজবাড়ী হোটেলে থাকিয়া পড়িবে; হোটেল চার্জ চার-পাঁচ টাকা যাহা লাগে, আমি মাস মাস দিব।” গেলাম হোটেলে । বর্তমানে যেখানে গোয়াললন্দ হাই স্কুল স্থাপিত হইয়াছে, সেখানে আমাদের সময়ে "রজনী রায়ের হোটেল' ছিল। এ হোটেলের মালিক রজনী রায় মহাশয় ছিলেন অতি ভদ্র ও মি$্টভাষী, আমাকে বিশেষ cae করিতেন | তাহার একটি রক্ষিতা স্ত্রীলোক ছিল-_মেয়েটিরও খুব মায়া দয়া ছিল -_-আমি স্কুল হইতে ফিরিলে রোজই কিছু al কিছু জল খাবার দিত- হয় পেঁপে না হয় সুজির খাবার। তা ছাড়া কলিকাতা হইতে এক gar" চেহারার বাবু আসিয়া এঁ হোটেলে দশ-পনের দিন থাকিতেন | তিনি কোন বড় জমিদারের ম্যানেজার বা এঁ রকম কিছু হইবেন। তিনি আমার হাতের লেখা দেখিয়া মাঝে মাঝে আমাকে কিছু কাজ দিতেন -_৫০ খানা ডেমিতে (আদালতে ব্যবহার্য ডিমাই আকারের কাগজ) মাত্র তিন চার লাইন করিয়া লেখ! | আমি তাহা সানন্দে করিতাঁম, তিনিও সানন্দে আমাকে মাঝে মাঝে খাওয়াইতেন | তবে পাছে আমার পড়ার কোন ক্ষতি হয়, তজ্জন্য রবিবার বা ছুটার দিন ছাড়া কোন কাজ দিতেন না। তিনি আমার পড়াঙুনায় মনোযোগ লক্ষ্য করিয়| আমাকে কলিকাতা নিজ বাড়ীতে লইয়া যাইতে চাহিয়াছিলেন, কিন্তু আমি যাই নাই। বলিয়াছিলাম, “এনট্রানদ পাস al করিয়া কোথায়ও যাইব না-পাস করি পরে আয় দিবেন ।” SMCS AHA আশ্রয় লাভ ও WADA অবসান ইহার কিছুদিন পর (তখন পিতৃ-বিয়োগ হইয়াছে ) পুনরায় বিপন্ন Veal পড়িলাম। ও সময়ে স্কুলের হেঙপণ্তিত মহাশয় (শ্রীপতি কাব্যতীর্থ, বাড়ী ওপ্তিপাড়া) রাজাকে আমার কথা বলেন, (ছেলেটি স্কুলের ফাস্ট: বয়--কিন্তু পিতৃবিয়োগ হেতু আশ্রয়হীন) রাজা সূর্যকুমার তখনই আমাকে আশ্রয় দিলেন | রাজার ছুই শ্যালক--মতিলাল ঘোষদন্তিদার (যাহার পুত্র



Leave a Comment