বঞ্চধার্মিক [সংস্করণ-১] | Bakdharmik [Ed. 1]

বই থেকে নমুনা পাঠ্য (মেশিন অনুবাদিত)

(Click to expand)
বকধাণ্িক ye একটা বাশি ঝুলিয়ে বাড়ি এল। দেখে হেসে বাঁচি নে। ওদিকে আমাদের ইস্কুলেও রীতিমতো কাজ শুরু হয়ে গেছে, ছোট ছোট দল বানিয়ে caren হয়েছে। . মামি একট! দলের অধিনেত্রী হয়েছি। একটা লাল রেশমি ফিতের ব্যাজও পেয়েছি, আমার পেন্সিল-বাক্সে সেটা লুকিয়ে রেখেছি। নেপুকে দেখাতে ভারি বয়ে গেছে। বাবা! যা fags ছেলে, এক্ষুণি তাই নিয়ে ঠাট্টা তামাশা Sara | এ সবের মধ্যে আবার শীত পড়ে গেল ৷ নাসপাতিগাছের পাতাগুলে৷ সব লালচে হয়ে ঝরে পড়ে গেল। আর তারই সঙ্গে আমাদের বাংসরিক পরীক্ষাও এসে গেল। নেপুর৷ শুনলুম দল বেঁধে ওদের হেডমাস্টরারমশায়ের কাছে গেছল, নাকি চোর ধরার হাঙ্গামার জন্য ভালে! করে AG! তৈরি হয় নি, বড়দিনের ছুটির পর পরীক্ষাটা হোক। তাড়া খেয়ে বাবুরা ফিরে এসেছিলেন | ওদিকে চোর ধরার নাম নেই, এদিকে তাই নিয়ে বড়াই কত! আমরাও যে পরীক্ষা পেছোবার কথা ভাবি নি তা নয়, কিন্তু নেপুদের অবস্থা! দেখে কথাটা আর পাড়ি fa | সেকালে বাৎসরিক পরীক্ষার পর sien দিন বড়দিনের ছুটি থাকত। ভেবেছিলুম তার মধ্যে কাজ হাসিল করতে পারলে কি মজাটাই না হয়। বাড়িতেও এই সব ব্যাপার নিয়ে বেশ একটা আলোড়ন চলত | বাবা তো খাতায় মা জোযঠিমাদের নাম লিখে নিয়েছিলেন। সমন্ধ্যেবেলায় জগদীশদার পিসিমা প্রায়ই একটা মোষের ACW রঙের আলোয়ান গায়ে দিয়ে আমাদের বাড়িতে আসতেন। জোযেঠিমাদের বলে কয়ে বাবার খাতায় তিনিও নিজ্জের নামটা লিখিয়ে নিলেন । তখন মা জ্যেঠিমাদের কাজ সারা হয়ে যেত, সবাই হাতমুখ ধুয়ে Peper বেঁধে, একটা করে নীল আলোয়ান জড়িয়ে, canara শোবার ঘরের তক্তপোশের ওপর গোল হয়ে বসতেন ৷ আজকাল বড় শীত পড়ে গেছে, বাগানে আর বসা চলে না।



Leave a Comment