পত্রাবলী (১৯১২-১৯৩২) | Patrabali (1912-1932)

বই থেকে নমুনা পাঠ্য (মেশিন অনুবাদিত)

(Click to expand)
অজ্ঞান । আমি বিদ্বান বা পণ্ডিতকে অদ্ধা করিতে চাহিনা। ভগবানের নাম স্মরণে যাহার চক্ষু দিয়া প্রেমাশ্রু বিগলিত হয় আমি তাহাকে দেবতা বলিয়া পূজা করি। মেথর হইলেও আমি তাহার পদরেণু বক্ষে ধারণ করিতে চাহি। আর একবার “BA” বা একবার “হরি'”” বলিলে যাহার wh, অশ্রুত্যাগ, রোমাঞ্চ প্রভৃতি সাত্তিক লক্ষণ আবিভূত হয়, তাহার ত কথাই নাই-_ সে স্বয়ং ভগবান্‌ । তাহাদের পাদস্পর্শে পৃথিবী পবিত্র হইয়াছে-_ আমরা ত অতি সামান্য তুচ্ছ জিনিষ। আমরা বৃথা “ধন” “ধন” বলিয়া হাহাকার করি, একবারও ভাবিনা, প্রকৃত ধনী কে ? যাহার ভগবৎ প্রেম, ভগবদ্ধুক্তি প্রভৃতি ধন আছে জগতে সেই ত ধনী । তাহার তুলনায় মহারাজাধি- রাজারাও দীন ভিখারী। এরূপ অমূল্যধন হারাইয়াও আমরা যে জীবিত আছি--ইহা বড় আশ্চধ্যের বিষয়। আমরা “পরীক্ষা আসিতেছে” বলিয়া ব্যস্ত হই কিন্তু একবারও ভাবিয়৷ দেখিনা যে জীবনের প্রতি মুহূর্তে পরীক্ষা চলিতেছে। সে পরীক্ষা ঈশ্বরের নিকট, ধর্শ্মের নিকট। লেখাপড়ার পরীক্ষা কি সামান্য পরীক্ষা--তাহা দুইদিনের জন্য। কিন্তু সে সব পরীক্ষা অনন্তকালের জন্য । তাহার ফল জন্মে ২ ভোগ করিতে হইবে | ভগবানের Board জীবন সমর্পণ করিয়] যিনি .আপনার জীবন- তরী ভাসাইতে পারেন, তিনিই ধন্য, তাহার জীবন সার্থক, তাঁহার মানব জন্ম সফল । fee হায়! আমরা এ মহাসত্য বুঝিয়াও বুঝি না। আমরা! এরূপ অন্ধ, এরূপ অবিশ্বাসী ও এরূপ মূর্খ যে কিছুতেই আমাদের জ্ঞানচক্ষু উন্মীলেত হয় না। আমরা মানুষ নহি কলিযুগের রাক্ষস |



Leave a Comment