এ কি সত্যি | E Ki Satty

বই থেকে নমুনা পাঠ্য (মেশিন অনুবাদিত)

(Click to expand)
মধ্যে রয়ে গেছে তাদের কিছু ai কিছু বৈশিষ্ট্য এবং মহাজনের] রেখে গেছেন তাদের ব্যক্তিত্বের ছাপ এবং কীতি। এই ভাবেই হয়েছে মানুষ জাতির ক্রম বিকাশ এবং এখন ও হয়ে চলেছে। মানুষ মরে যাবার পরেই তার সব কিছু শেষ হয়ে যায়নি |আমরা ছেলেবেলার থেকে বড় হই। যখন বড় হই তখন ছেলেবেলার জীবনের হয় মৃত্যু, না হলে বড় হতে পারতাম না। কিন্তু তাই বলে ছেলেবেলার জীবনটা অর্থহীন নয়। ছেলেবেলার জীবন থেকেই গড়ে উঠেছে পরবর্তী গুরুত্বপূর্ণ জীবন। তেমনি আমরা মরে যাই বলেই আমাদের জীবন অর্থহীন, নয়, আমাদের জীবন থেকেই গড়ে উঠেছে WHT জাতি।প্রকৃতির নিয়মই হচ্ছে ধ্বংস এবং স্থষ্ট। একই সঙ্গে হয়ে চলেছে দুটে৷ কাজ ৷ ধ্বংস না হলে নতুন YT হতে পারতো না। গাছ বড় হয়, ফল দেয়, তারপরে মরে যায় তারপরে কিন্তু থেকে যায় ফলের বীজ যার থেকে আরও গাছ জন্মায়। জন্তু জানোয়ার ও মানুষের বেলায় ঠিক একই জিনিস হচ্ছে, তাতে জীবন অর্থহীন মনে হবার কোন কারণ নেই । মরার পর আত্মা বেঁচে রইল এবং হয় অশরীরী হয়ে মহাশূন্যে ঘুরে বেড়ালো, নয় নতুন শরীর নিয়ে জন্মালো, আগের জন্মের কথা কিছুই মনে রইলন1-_একথা ভাবলেই বা জীবনের এমন কি বেশী অর্থ হয় ?আগের দিনে দেব দেবীর ইচ্ছাকেই প্রাকৃতিক ঘটনাগুলির কারণ বলে মনে করা হত কিন্তু বিজ্ঞানের অগ্রগতি একের পর এক সেই সব ধারণার অবসান ঘটিয়ে চলেছে। স্থষ্টর রহস্যের পৌরাণিক ব্যাখ্যা এখন শিক্ষিত সমাজের ক'জন আর বিশ্বাস করে বলো 1এই মতবাদণগুলি যুগ যুগ ধরে মানুষের ও সমাজের কিছু কল্যাণ সাধন করেছে তাঁ আমি অস্বীকার করি aii আত্মা মৃত্যহীন এই বিশ্বাস প্রিয়জনের মৃত্যুতে পরলোকে পুনমিলমের ASA মানুষের মনে এনেছে সাম্বনা এবং নিজের মৃত্যুর সময়,Se



Leave a Comment