মৃত্যুর পরে | Mrityur Pare

বই থেকে নমুনা পাঠ্য (মেশিন অনুবাদিত)

(Click to expand)
মৃত্যর পরে 11লোকেরা পালাচ্ছিল। ডাই এ বাড়ি এতো সস্তায় পেয়েছিলাম | যশবস্তবাবু কথা বেলী বলতেন না। আমার ছেলেমেয়েরা ওঁকে “দাদা? বলতো । আমার স্ত্রীও ওঁকে খুব wie করতেন । ছোটদের সঙ্গে ছাড়া উনি আর সকলের সঙ্গে খুব কম কথা বলতেন। আমার ছেলেমেয়েরা যখন ওঁকে কিছু জিজ্ঞাসা করত বা ওঁর কাছে কিছু চাইত, উনি ওদের গল্প শোনাতেন কিংবা ওদেব ছবি Braves | ওঁকে খুব বড় শিল্পী অবশ্য বলা চলে না, তবে উনি একজন fafa ব্যক্তি ছিলেন । যেমন সবল, তেমনি বুদ্ধিমান । তাঁর বয়সকে সম্মান দেখিয়ে এ কথা বলছি ভাববেন ay) ওঁর সরলতা আর চিন্তাশীল চেহারায় কি যেন একটা oer ফুটে উঠত, না ?”আমি সায় দিলাম, “ঠিক বলেছেন 1”“কখনো কথনো উনি আমার সঙ্গেও কথা বলেছেন, বিত্ত এত কম যেন এক চুল এধার ওধাব হবাব জো ছিল না। উনি বেশ মিষ্টি মিষ্টি কথা বলতেন । আজে বাজে কথা বলতেন না। সত্য, ওঁর জীবন ছিল মহৎ। আপনার কেমন লাগত ওঁকে ?''-আমি তো ভাবতেও পারি নি, ওঁকে এতো Hts হারাতে হবে। পরষুই কে. ই. এম. এ গিয়ে ওঁর খবরাখবর নিয়েছিলাম। ওরা বলল, বোধহয় 'সেরিত্রাল ইনাবসিয়া” | তাছাড়া মে ডাক্তাবকে আমি ডেকে এনেছিলাম তিনিও বাঁচবাৰ আশা দেন নি ।**'-একেই বলে নিয়তি আর কি? টেবিলের উপর কাগজেব একটা টুকরোয় লেথা ছিল “উইল মু কনটাক্ট দিল cee wa নি?” তাই আপনাকে টেলিগ্রাম করি ।”বললাম, ণ্তার জন্য আপনাব কাছে কৃতজ্ঞ |”“উনি নেই তাই এ ঘরটা একেবারে Hay বিপদে-আপদে ছিল wey ধৈর্য । সর্বদা আমায় সাহায্য করতেন.। একবার জানি a, কেমন করে উনি জেনে ফেলেছিলেন আমাদের টাকাৰ টানাটানি যাচ্ছে । নিজেই এসে বললেন, 'যদি দরকার হয় কিছু টাকা দিতে nfs’ তখনই এক হাজার টাকার চেক আমায় লিখে



Leave a Comment