বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের শ্রেষ্ঠ গল্প | Bibhutibhushan Bandyopadhyayer Shreshtha Galpo

বই থেকে নমুনা পাঠ্য (মেশিন অনুবাদিত)

(Click to expand)
১২ TIS TGS ACT শ্রেষ্ঠ গল্পঅত বেলায় এখন শ্রীপাঁতদের বাড়ী গেলে তাদের খেতে বলতে হয়। অসময়ে এখন এসে তারা রান্নাবান্না চাঁড়য়ে খাবে, সেটা প্রতিবেশী হয়ে হতে দেওয়া কর্তব্য নয়, FHS সে WHS ঘাড়ে করবার চেয়ে এখন না যাওয়াই ব্যাঁদ্ধর কাজ |কিন্তু রাস চক্কাত্ত আর fem aad বাড়ীর মেয়েরা অত সহজে রেহাই পেলেন না । লশ্রীপাঁত নিজে গয়ে একেবারে অন্তঃপুরের মধ্যে ঢুকে A ও পাঁসমা, ও বৌদাঁদ, আপনারা আপনাদের বৌকে হাত ধরে ঘরে না তুললে কে আর তুলবে ? আসুন সবাই |বাধ্য হয়ে কাছাকাঁছির দ-তিন বাড়ীর মেয়েরা শাঁক হাতে, জলের ঘাঁট হাতে নতুন বৌকে ঘরে তুলতে এলেন--খাানকটা চক্ষ্‌লজ্জায়, খানিকটা কৌতূহলে । মজা দেখবার vache সকলের মধ্যেই আছে৷ ছোটবড় ছেলে- মেয়েরাও এল অনেকে, শান্ত এল, কমলা এল, সরলা এল |প্লীপাঁতদের বাড়ীর উঠোনে লিচুতলায় একটা মেয়ে দাঁড়য়ে রয়েছে, দর থেকে CURIS ধপ্‌ধপে SAT গায়ের রং ও পরনের দামী সন্কের শাড়ী দেখে সকলে অবাক হয়ে গেল | সামনে এসে আরও afore হবার কারণ ওদের ঘটলো মেয়োটির আনন্দ্যসন্দর TAM দেখে । ক ডাগর ডাগর চোখ ! ক সংকুমার লাবণ্য সারা অঙ্গে ! সম্বেপাঁর TAO ধরণের ম:খ এসব পাড়াগাঁয়ে কেউ কখনো দেখে সন ।সকলে আশা করোছিল গিয়ে দেখবে কালোকোলো একটা মোটামত মাগী আধ-ঘোমটা দিয়ে উঠোনের মাঝখানে দাঁড়য়ে প্যাট: ATG, করে চেয়ে রয়েছে ওদের দিকে | কিন্তু তার পাঁরবর্তে' দেখলে, এক aT ASAT SAAT THe 1 মুখখান এত সুকুমার যে মনে হয় ষোল-সতেরো বছরের বালিকা ।বিকেলে ও-পাড়ার নিতাই মৃখুযোর বৌ ঘাটের পথে চক্কাত্ত গন্নীকে জিজ্ঞাসা করলেন-_1ক fata, ন্রীপাঁতর বৌ দেখলে নাক ? কেমন দেখতে ?চকতি fal বল্লেন--না, দেখতে বেশ ভালই-_চক্কাত্ত trata সঙ্গে শান্তি ছল, সে হাজার হোক MIAN, ভাল লাগলে পরের প্রশংসার বেলায় সে এখনও কার্পণ্য করতে শেখে নি, সে উচ্ছ্বাসত সুরে বলে উঠলো-_চমৎকার, খুড়ীমা একবার গিয়ে দেখে আসবেন, সাঁত্যই অদ্ভুত ধরণের ভাল।নিতাই মুখুযোর বৌ পরের এতখ্যান প্রশংসা শ্যনতে অভ্যস্ত ছিলেন না- AACS পারলেন না শান্তি কথাটা ব্যঙ্গের ALA বলছে, না ATI বলছে । বল্লেন-1ক রকম STA ?এবার bate faat নিজেই বল্লেন--না বৌ, যা ভেবোঁছলাম তা নয়। বৌঁট সাঁত্যই দেখতে ভাল | আর কেনই বা হবে না বলো, শহরের মেয়ে, দিনরাত সাবান ঘষছে, পাউডার ঘষছে, তোমার আমার মত রাঁধতে হতো, বাসন মাজতে হতো, তো দেখতাম চেহারার কত জল:স বজায় রাখে |এই বয়সে তো দুরের কথা, তাঁর fare যৌবন দিনেও অজু পাউডার সাবান ঘষলেও যে কথনো তান শ্রীপাঁতর বৌয়ের পায়ের নখের কাছে দাঁড়াতে.



Leave a Comment