দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধকালীন বাংলা নাটক ও নাট্যশালা | Dwitiya Biswayuddhakalin Bangla Natak O Natyashala

বই থেকে নমুনা পাঠ্য (মেশিন অনুবাদিত)

(Click to expand)
যুগ-পরিবেশ এবং নাটকের ভাববস্তু ও আঙ্গিকে তার প্রভাব ১৭the United states of America as the last refuge of the spiritual man, and these few lines of mine merely convey my hope. even if unnecessary, that she will not fail in her mission to stand against this universal disaster that appears so imminent” :দানব শক্তির উন্মত্ত তাওবে রবীন্দ্রনাথের মত সংবেদনশীল ব্যক্তি মাত্রই সেদিন উৎকণ্ঠিত হয়ে উঠেছিলেন--এবং এই উৎকণ্ঠার যথেষ্ট কারণ ছিল।॥ তিন ॥আন্তর্জাতিক রাজনীতির FAP তরঙ্গ ভারতবর্ষের বেলাভূমিকেও উত্তাল করে তুলেছিল। উপস্থিত HH ভারতের ভূমিকা নিয়ে গঁপনিবেশিক বৃটেনের দৃষ্টিভঙ্গি স্বভাবত:ই দেশীয় মানুষের স্বার্থের অনুকুল ছিল না। সাম্রাজ্যবাদের স্বার্থে ভারতকে 'যুদ্ধরত' বলে বৃটেনের একতরফা ঘোষণার প্রতিবাদে জাতীয় BRIA নেতৃত্বে সমস্ত দেশ জুড়ে বিক্ষোভ ফেটে পড়তে থাকে। আর এই বিক্ষোভকে কঠোর ভাবে মোকাবিলা করার উদ্দেশ্যে বৃটিশ পার্লামেন্ট বড়লাটের হাতে দমন-পীড়নের চূড়ান্ত ক্ষমত৷ অর্পণ করে 'ভারত রক্ষা আইন” জারি Sa স্বাধীনতাকামী জনগণের Je প্রত্যাশিত 'ডোমিনিয়ন স্টেটাসের' পরিবর্তে যুদ্ধকালীন সরকারের পক্ষ থেকে জাতীয় কংগেসকে আমন্ত্রণ জানানো হয় একটি পরামর্শ কমিটি গঠনের | বলা বাহুল্য এ হেন অসম্মানজনক প্রস্তাব গ্রহণের অর্থই ছিল যুদ্ধে সর্ববিধ সমর্থনের পরোক্ষ স্বীকৃতি; জাতীয় ভাবধারার সম্পূর্ণ বিরোধী এই প্রস্তাব স্বাভাবিক কারণেই সর্ব-সম্মতিল্রমে প্রত্যাখ্যাত হল। শেষ চেষ্টা হিসাবে রাজা গোপালাচারীর নেতৃত্বাধীন, কংগ্রেসের একটি জাতীয় সরকার গঠনের শত সাপেক্ষে যুদ্ধে সমর্থন ও সহযোগিতার প্রশ্নটও সরকার বিবেচনা করার প্রয়োজন মনে করলেন না। উপরন্তু হিন্দু-মুসলমানের পারস্পরিক সহযোগিতার ও সম্প্রীতির সম্পর্কটিকে নানা কৌশলে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে রূপান্তরের চেষ্টা শুরু হল--যার চরমতম পরিণতি ‘su র সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা।সমকালীন ভারতবর্ষের জনমানসে যে দুই নেতার ভাবধারা এই পরিস্থিতিতে সর্বাপেক্ষা প্রভাব বিস্তার করেছিল, তাদের একজন মহাত্মা গান্ধী এবং অন্যজন নেতাজী সুভাষ চন্দ্র TH যুদ্ধে সহযোগিতার প্রশ্নে অহিংসবাদী গান্ধীজী এবং কংগেসের বিরোধ যখন বিচ্ছেদের পর্যায়ে এসে উপনীত, তখন দেশ জুড়ে সত্যাগ্রহের ডাক দিলেন গান্ধীজী, ১৯৪০-র অক্টোবরে। তদুপরি প্রধানত বহির্বিশ্বের চাপে সমঝোতার ভাওতায় প্রস্তাবিত EPO মিশনের” TANS প্রতিবাদে সংগঠিত জনমতের সামনে গান্ধীজী ধ্বনি তুললেন-- HAG BGA ইংরেজ ভারত ছাড় (৭/৮ আগষ্ট ১৯৪২)! এই অগ্নিমন্ত্র দেশের প্রান্ত থেকে প্রান্তরে ছড়িয়ে পড়ে ভারতের জাতীয়তাবাদী আন্দোলনে এক অনমনীয় প্রত্যয় ও



Leave a Comment