আয়ুর্ব্বেদ-হিতৈষিণী-পত্রিকা | Ayurved-Hitaishini-Patrika

বই থেকে নমুনা পাঠ্য (মেশিন অনুবাদিত)

(Click to expand)
aotats fasta |সমস্ত মানবের থাদ্াথাদ্য এক প্রকার নহে। জাতি দেশ ব্যনঃপ্রকৃতি অবস্থাদিতেদে খাস্কাথাস্যেরও মুর্তিতেছষ পরিকল্পিত হইয়াছে। এক জাতির পবিত্র eto অন্তজাতি অপবিত্র বোধে পরিত্যাগ ক্রিয়৷ থাকেন। দেশতেছে এবং অবস্থাদি ভেদেও খাস্তথাদ্যের ব্যতিক্রম দেখা যায়। তথাপি আমরা সমষ্ট্রিতে যাঁহ। বহুল মানবের দেহ মন ও স্বাস্থ্যের উপকারী, তাহাকে ata এবং যাহা তাহার বিপরীত তাহাকে অধাস্য বলিয়া নির্দেশ করিলাম। এই হিসাবে roan পরিগণিত বস্তুর মধ্যেও ভিন্ন কারণে যে গুলি দেহ মনের বিরোধী হইয়া দাড়ায় তাহাকে বিরুদ্ধ বস্তু বলে |এই বিরুদ্ধ বস্তু তিনপ্রকার, সংযোগ বিরুদ্ধ, দেশ বিরুদ্ধ ও কাল বিরুদ্ধ। যে সকল বস্তু পৃথক পৃথক অবস্থায় উপকারী কিন্তু পরস্পর মিলিত হইলে বিষের aia অপকারী হয়, তাহাদিগকে সংযোগ বিরুদ্ধ Wr WA SYS পৃথক্‌ অবস্থায় উপকারী, সম পরিমাণে মিলিত হইলে বিষের ন্যায় অহিত। দুগ্ধ মৎস্তের সংযোগও এরূপ অনিষ্টকর | surety বস্তু দেশ বিশেষে অপকারী, যথা__শীতপ্রধান দেশীয় লোকের স্বাস্থ্য জনক চা, AV, কাফি, মাংস, বসা প্রভৃতি গ্রীষ্ম প্রধান দেশে অপকারী, এবং Ae প্রধান দেশে ব্যবহার্য্য শীতল বস্তু পীতপ্রধান দেশে অপকারী। ইহাকে দেশ বিরুদ্ধ বলে ।sorely ww সকল সময় অপকারী নহে, কিন্তু সময় বিশেষে অপকার করে। যথ।৷ শীতকালে উষ্ণ বস্তু ও গ্রীষ্মকালে শীতল বস্তু, এবং রাত্রিতে দধি ভোজন ও প্রতিপদাদি তিথিতে কুঙ্মাওগাদি ভোজন। ইহা দিগকে কাল বিরুদ্ধ বলে |প্রাচীন আর্য্যগণ এই ব্রিবিধ বিরুদ্ধকে দুর হইতে পরিত্যাগ করিতেন। কালচক্রের পরিবর্তনে ও অনুকরণ প্রিয়তার প্রাবল্যে আজকাল অনেকেই শাস্ত্রের শাসন গ্রহণ করিতে অনিচ্ছুক, তাই নিরন্তরই বিরুদ্ধ বস্তুর ব্যবহার চলিতেছে। শীত প্রধান দেশের ব্যবহা্য্য বস্তু ay প্রধান দেশে অধিকারও সম্মান লাভ করিয়াছে। সংযোগ বিরুদ্ধ ও আজকাল বাদ পড়িতেছে a



Leave a Comment