পতন [সংস্করণ-১] | Patan [Ed. 1]

বই থেকে নমুনা পাঠ্য (মেশিন অনুবাদিত)

(Click to expand)
ভাবতেন, রাতে আমার শয্যাসঙ্গিনী বোধহয় ন্যায়ের দেবী স্বয়ং । আমার যথাযথ কণ্ঠস্বর, আবেগেক্ন যাথার্থ্য, প্রত্যয় আর উদ্দীপন), আদালতে ভাষণদানের সময় প্রচ্ছন্ন রোষ--যদি দেখতেন, মুগ্ধ হয়ে যেতেন আপনি । আমার চেহারা দেখেই বুঝতে পারছেন, ভাগ্যলকঙ্ষ্মী আমার ওপর কত প্রসন্ন, আর অভিজাত আদব-কায়দা আমার আপনিই এসে পড়ে। তার ওপর, ছুটি আন্তরিক অনুভূতি আমার মনে জোগাত উৎসাহ-_সর্বদাই ন্যায়সঙ্গত পক্ষেরই সমর্থক হবার আত্মপ্রসাদ, আর বিচারকদের প্রতি মোটামুটি একটা সহজাত ঘৃণাব ভার । অবশ্য, ঘৃণাটা ae যে'সহজাত ছিল, বলতে পারি না। এখন বুঝি, ওর পিছনে ছিল একটি sal) তবু, আপাতদৃষ্টিতে দেখে ওটাকে একটি রিপু বলেই মনে হত। এ কথাটা] এখন অন্তত নিঃসন্দেহে স্বীকার করা যায় যে বিচাবক না হলে আমরা অচল। তাসসত্বেও আমি কোনোমতে বুঝে উঠতে পারতাম না কি করে অমন আশ্চর্যজনক কাজে মানুষ হাত দিতে পারে । নিজে চোখে দেখতাম, তাই হাত যে দিতে পারে--তা মেনে নিতাম, যেমন মেনে নিতাম পঙ্গপালের অস্তিত্ব। অবশ্য তার মধ্যে পার্থক্য এটুকু ছিল যে ওই অর্থোপ্টের৷ জাতের কীটগুলো যখন ঝাঁক বেঁধে আসত, এক কানাকড়িও কোনদিন আমি তা থেকে উপার্জন করি নি, কিন্তু যে মানুষগুলোকে আমি ঘৃণা করতাম তাদের সাথেই বাঙচিত না করলে আমার পকেট ভারি হওয়া'ছুরূহ ছিল |যতই হোক, সর্বদা আমি ন্যায়ের পক্ষেই যুঝে এসেছি; তার চেয়ে বড় শাস্তি বিবেকে মেলে না। “ আইনেব অনুভূতি, হ্যায্যতার আত্মপ্রসাদ, আত্ম-অন্ুরাগের স্থখ--এগুলি যে কত শক্তিশালী, এদের কল্যাণেই আমরা মাথা চাড়া দিয়ে দাড়াতে পারি, এগিয়ে চলতে পারি সমুখ-পথে, তা আপনি জানেন yaaa আবার, মানুষকে এগুলে৷ থেকে বঞ্চিত ক'রে দেখুন, রাতারাতি তারা খ্যাপাঁ কুকুর হয়ে উঠবে। জগতে ফস পাঁপ হয়েছে, তার অনেকগুলোই১৩



Leave a Comment