ইতালীয় রেনেসাঁসের আলোকে বাংলার রেনেসাঁস | Italiya Renesanser Aloke Banglar Renesanse

বই থেকে নমুনা পাঠ্য (মেশিন অনুবাদিত)

(Click to expand)
নানাধরনের গ্রন্থের সংখ্যাও কম নয়। শক্তির গ্রন্থটির বিশেষত্ব হচ্ছে, এ ACY বাংলার রেনেসীস সম্পর্কিত আলোচনা একটা নতুন মাত্রার সন্ধান করেছে। St যদি না-ই হবে, তবে এটি গবেষণাগ্রহরপে স্বীকৃতি পাবে কেন ? রেনেসীস-বিষয়ক আলোচনার ইতিহাসে শক্তি স্পষ্ট দু'টি পর্ব লক্ষ করেছেন। প্রথম পর্বে বাংলার নবজাগরণকে আতিশয্যে মহিমান্বিত করে দেখা হয়েছিল। পরে রেনেযীস বিষয়ে উঠে আসে অনেক সংগত Po opt) বিশ্লেষণাত্মক আলোচনায় তার অনেক নেতিবাচক দিক ধরা পড়ে। নেতিবাদী আতিশয্য আচ্ছন্ন করে ফেলে বাংলার নবজাগরণ ও তার প্রাণপুরুষদের যথার্থ মূল্যায়ন। রামমোহন-বিদ্যাসাগর-ডিরোজিও-বন্কিম- রবীন্দ্রনাথ যেন কিছুই নন, এরকম একটি ভঙ্গি প্রাধান্য পেতে থাকে। শক্তির এই গবেষণাগ্রসহটিতে পূর্বতন দুটি ধারার রেনেসীস আলোচনার আতিশয্যজনিত দুর্বলতা পরিহার করার উদ্যোগ চোখে পড়ে। রেনেসীসের মাতৃভূমি ইতালি। ইতালীয় রেনেসীসের মানদণ্ডে বাংলার নবজাগরণকে বিচার করে এখানে শক্তি নিজের বক্তব্য উপস্থাপিত করতে সচেষ্ট। তার বক্তব্য, রেনেসীসকে বিচার করতে হবে রেনেসীসের মানদন্ডেইতালীয় রেনেসীস সম্পর্কে স্বচ্ছ ? শুদ্ধ ধারণা এ গ্রন্থ আমাদের দিচ্ছে। বাংলার রেনেসীস আলোচনায় শক্তির দৃষ্টিভঙ্গি সহায়ক হবে। সকলে তার বিচারের সঙ্গে সহমত না-হলেও অনুভব করবেন, তার বিশ্লেষণ পদ্ধতি প্রণিধানযোগ্য। অতঃপর বাংলার রেনেসীস বিষয়ক আলোচনা বা উনিশ শতকের বাংলা নিয়ে আলোচনা বা রামমোহন থেকে রবীন্দ্রনাথ পর্যন্ত কীর্তিমান প্রতিভাধরদের মূল্যায়নে এই গ্রন্থটি সংগ্রহযোগ্য বলে বিবেচিত হবে, তাতে আমার সংশয় নেই। মহাবিদ্যালয়-বিশ্ববিদ্যালয়ের পঠন-পাঠনের সঙ্গে যুক্ত এবং তার বাইরেও কৌতূহলী ব্যাপক পাঠকমণ্ুলীর কাছে এই সারস্বত উপহারটি সমাদরয়োগ্য বলে মনে করি।এহো বাহ্য। গ্রহ্থকাররূপে গবেষকের এই প্রথম iets ত্রুটিহীন না হলেও এই গ্রন্থটির ইতিবাচক গুণগুলি এত বেশি যে, সব জড়িয়ে বাংলা ভাষায় বঙ্গীয় রেনেসীস এবং তুলনীয় সূত্ররপে ইতালীয় রেনেসীস নিয়ে এই ধরনের গুরুত্বপূর্ণ একটি গ্রন্থ উপহার দেওয়ার জন্য শক্তিসাধন আমাদের গভীর কৃতজ্ঞতাভাজন হয়ে থাকবেন। এই কৃতজ্ঞতা অসীমে পৌছবে, যদি.কখনো ছাত্রছাত্রী ও জিজ্ঞাস পাঠকসাধারণের স্বার্থের কথা ভেবে ড. মুখোপাধ্যায় ও তার প্রকাশক তার সমগ্র অভিসন্দর্ভটির একটি সংক্ষিপ্ত-সংহত ও সাবলীলপাঠ্য সংস্করণ প্রকাশ করতে পারেন। আপাতত যা পাওয়া গেল তার জন্যই তিনি বাংলা সাহিত্যে মননদীপ্ত লেখকগণের অগ্রবর্তী সারিতে নিজের অবস্থানটিকে সুচিহ্নিত করেছেন বলে আমার মতো অগণিত জিজ্ঞাসু পাঠকের Ups অভিনন্দন তার অবশ্যপ্রাপ্য বলে মনে করি।আশুতোষ ভবন ‘ কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় ৭৯ ফেব্রুয়ারি, ২০০০ উল



Leave a Comment