জানা অজানা জাপান | Jana Ajana Japan

বই থেকে নমুনা পাঠ্য (মেশিন অনুবাদিত)

(Click to expand)
জানা অজানা জাপানবিশ্ববিদ্যালয়) একটি বক্তৃতার আয়োজন করেন। দুঘন্টার অনুষ্ঠান ছিল সেটি | বক্তৃতানুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রেসিডেন্টসহ বেশ কয়েকজন তখনকার VET অধ্যাপক | সেদিন ছিল বৃষ্টির দিন, তা সত্ত্বেও প্রায় সত্তর জন বিদ্যুৎসাহী ব্যক্তি উপস্থিত থেকে তার বক্তব্য শ্রবণ করেন।কবিগুরু প্রতিষ্ঠিত শান্তিনিকেতনে জাপানি কলাশিল্পের যে অনুষদ প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল তার মূলে রয়েছে তেনশিন ওকাকুরার বিরাট ভূমিকা ও পরবর্তাঁকালে তারই শিষ্যদের একাগ্রতা । যারা শান্তিনিকেতনে জাপানি চিত্র আঁকার কলাকৌশল শিক্ষাদান করেছেন ছাত্র-ছাত্রীদেরকে 1 বিশেষ করে তেনশিনের অন্যতম প্রধান শিষ্য চিত্রশিল্পী কাম্পো আরাই এর অবদান অনেক | শিক্ষাগুরু তেনশিনের মতোই কাম্পো আরাই তথাগত বুদ্ধ ও রবীন্দ্রনাথের প্রভাবে গভীরভাবে প্রভাবিত হয়েছিলেন । তার ভারতভ্রমণ লিপিতে ঘুরে ফিরে রবীন্দ্রনাথের কথা, শান্তিনিকেতনের স্মৃতি আবর্তিত হয়েছে। তার আঁকা চিত্র কবিগুরুর কাছে বিশেষভাবে সমাদৃত হয়েছিল |ভারত ভ্রমণকালে তেনশিন কলকাতা ছাড়াও বুদ্ধগয়া, গোয়ালিওর, TSS, ইলোরা প্রভৃতি স্থান পরিভ্রমণ করে ভারতের হৃদয়সত্ত্বাকে বোঝার জন্য সচেষ্ট হয়েছিলেন | তারই আহবানে রবীন্দ্রনাথ জাপান ভ্রমণ করেন, কিন্তু তখন Tada তেনশিন ইহলোক ত্যাগ করেছেন। পরিতাপের বিষয় যে, পন্ডিত তেনশিন বেঁচে থাকলে তিনি কবিগুরুকে কিভানে গ্রহণ করতেন তা ভাবলে নয়ন অশ্রুসিক্ত হয়ে ওঠে ৷ রবীন্দ্রনাথ জাপান ভ্রমণকালে ভাইপো সুরেন্দ্রনাথকে চিঠিতে লিখে জানান যে, জাপানে তেনশিনের মতো এমন পন্ডিত আর কেউ নেই |তেনশিন ছিলেন জাপানি কলাশিল্পের নবজাগরণের অগ্রদূত, জাপানে বৃহত্তর এশিয়া ও পাশ্চাত্য শিল্পকলার দ্বার উন্মোচনকারী | মাত্র চার জন শিষ্য নিয়ে নিহোন বিজ্ৎসুইন গবেষণাকেন্দ্র স্থাপনের কাজ শুরু করেছিলেন। তাঁর শিল্পকলা আন্দোলনের সঙ্গে সেদিন যারা সহযোগী হয়েছিলেন তাদের মধ্যে চিত্রশিল্পী তাইকান য়োকোয়ামা ১৯৩৭ সালে রাষ্ট্রীয় সম্মানে ভূষিত হন (Order of Cultural Merit) আধুনিক জাপানি১৭



Leave a Comment