ফুলের মালা | Fuler Mala

বই থেকে নমুনা পাঠ্য (মেশিন অনুবাদিত)

(Click to expand)
»ফুলের মালা | ১৩.দৃঢ়পক্ষেপে যুবরাজ গায়সুুদ্দিনের নিকটে আসিয়া! অভিবাদন করিয়। বলিল, “আমার ফুলের মালা আমাকে ফিরাইয়| দিতেআল্লা হউক”। সকলে বিশ্ময় চৃষ্টিতে তাহার দিকে চাহিয়া রহিল। যুবরাজ তাহার মালা তাহাকে ফিরাইয়া দিলেন। সে মালা-হস্তে গণেশদেবের দিকে চাহিয়া একটু থমকিয়া দাড়াইল, তাহার পর স্থলতান মাহ এবং তাহার পুত্রকে অভিবাদন করিয়া যেমন দৃঢ় পদক্ষেপে আমিয়াছিল সেইরূপ নিয় দৃঢ় পদক্ষেপে আবার চলিয়া গেল।চতুর্থ পরিচ্ছেদ ।renee2q পশ্চিম প্রাস্থে চলিয়া পড়িয়াছে, তাহার হেমাভ রশ্মিওুলি নদীর উর্শ্বিলল্রোত চমকিয়া পরপারের বৃক্ষ শিখরে cafacs থেলিতে ক্রমে সরিয়া যাইতেছে। কুমার গণেশদেব অশ্বারোহণে তীর পথ দিয়া এই may Aca ধীরে বাসনস্থানাভিমুখে ফিরিতে ছিলেন। কিন্তু অপরাহ্নের দৃপ্তশোভায় কুমার মুগ্ধ নহেন, fon মধ্যাহ্নের বিজয় সম্মানের কথাও এখন Stata মনে নাই, তিনি কেবল ভাবিতেছেন সেই দীনবেশা যুবতীর কথা। তাহার catfeda stash সৌন্দর্য্য, তাহার aia অপরিচিতের প্রতি সেই পরিচিত সহাস-দৃষ্টি, রাজসভায় oe ফুলমালা নিক্ষেপ, এবং তাহা ফিরাইয়া লইয়া যাওয়া--এই দকল রহস্তময় চিন্থাতেই তিনি অনন্তমূন। অপরিচিতার ve সমস্তই অপরূপ, বিশ্ময়- ২



Leave a Comment