আমার জীবনকথা | Amar Jibankatha

বই থেকে নমুনা পাঠ্য (মেশিন অনুবাদিত)

(Click to expand)
আমার মাঅ্বমহ-কুল রন এ বাড়ির সন্নিকটে একখণ্ড জমি ক্রয় করেছিলেন। এই জমির উপর যে বাড়ি আছে, তাতে প্রজার AT “দেউলপাড়া” গ্রামে steal fas জমির উপর ইটখোল! ও ORD তিনি ar করেছিলেন। এতদধিক, স্মপ্রসিদ্ধ emits বন্কিমচন্দ্রের একটি পৌনে তিন few আমক্কাঠালের বাগানও কিনেছিলেন | পিতা প্রাককৃতেক সৌন্দর্য--তরুলতা ফল ফুল খুব ভালবাসতেন। শখ করে দুরদ্বেশ হতে বিভিন্ন রকম গাছের চার] আনিয়ে তিনি বস্কিমস্বতিজড়িত বাগানখানি নিজের পছন্দমত সুন্দর রূপে সাজিয়েছিলেন। প্রত্যহ সকালে গিয়ে তিনি বাগানের মনোরম শোভা দেখে প্রফ্ষল্প মনে ফিরে আসতেন | পিত! মাজিত-রুচিসম্পন্ন, প্রাণখোলা, সামাজিক ও মিশুক প্রকৃতির লোক ছিলেন; তিনি বন্ধুবান্ধবদের নিয়ে প্রচুর হাসিখুশি, আমোদ-প্রমোদ করতেন | এ উপলক্ষে টাকাকড়িও কম খরচ করতেন না। ছুঃখের বিষয়, উক্ত ফলের বাগানটি একদিন রাত্রে অগ্নিছাহে বিপর্যস্ত হয়ে যায়। তাই দেখে খুব মর্মাহত হয়েছিলেন, তিনি তৎক্ষণাৎ এ বাগানের সঙ্গে সব MAT ছেড়ে দিয়ে সমাপ্তির রেখ! টেনে দিয়েছিলেন । পিতৃদ্বেব পিতামহের মতো দীর্ঘজীবী হন নি। বংশগত ধারায় পিত] ও পিতামহের বহু গুণাবলী আমাতে বর্তেছে। আমার মাতামহ-কুল আমাব প্র-মাতামহের নিবাস ছিল হাওডা! জেলার ডোমন্জড় ব্লকের অন্তর্গত 'ঝাপড়দ!” গ্রামে, কলিকাতা থেকে মাইল আষ্টেক দূরে । প্র-মাতামহ তার পিতার জ্যেষ্টপুত্র ছিলেন | তিনি ভিটেবাড়ি ও স্থাবর সম্পত্তির ভাগ সহোদরদের চেয়ে কিছু কম পেয়েছিলেন, কিন্তু পিতার আশীর্বাদ পেয়েছিলেন বড় রকমের । আর এই আশীর্বাদের জোরেই তিনি জীবনে age উন্নতি করতে পেরেছিলেন। তার পিতা লোকান্তরিত হলে প্র-মাতামহ পঞ্চানন চূডামণি প্রথম যৌবনে কলিকাতায় চলে আসেন। পটলডাডার বিখ্যাত জমিদার ঘোষাল মহাশয় তাঁকে আশ্রয় দিয়েছিলেন। ঘোষালবাড়ির আশ্রয়ে থেকে তিনি প্রথমে যজন-যাজন আরম্ভ করেন, পরে অবস্থার কিছু উন্নতি হলে পটলডাঙাতেই ঘোষালবাবু-প্রদত্ত জমির উপর একটি vy ছ্থাপন করেন। প্র-মাতামহ ক্রমশ: উন্নতির উচ্চশিধরে উঠতে থাকেন। যজন-যাজন ব্যাপারে পরামর্শ ছানের আয়ে ও শ্রাদ্ধাদ্রি উপলক্ষে রাজা-



Leave a Comment