প্রবন্ধসংগ্রহ [খন্ড-১] | Prabandha Sangraha [Vol. 1]

বই থেকে নমুনা পাঠ্য (মেশিন অনুবাদিত)

(Click to expand)
০/০রচনা থাকে “তমনি নিরাভরণ। বিষয়ের জ্ঞান ও তার প্রতিষ্ঠার প্রণালীর বিশদ বিবরণ দেওয়া ছাড়া রচনায় আর-কোনে! অবান্তর উদ্দেশ্যও থাকে al | তবুও সে রচন| কেবল বুদ্ধিকে Vie ও তৃপ্ত করে না, মনকেও মুগ্ধ ea! আটপোৌরের যা অতিরিক্ত তা বুদ্ধিকে বিষয় ও যুক্তির অনুধাবন থেকে GMI করে না, জ্ঞান ও বিচারকেই মনে কেটে বসিয়ে দেয়। নিরাবরণ কেজে৷ শরীর অবয়ব-সংস্থানের স্্‌ঠামে কেজোে৷ থেকেও হয় মনোহারী | "ছবিতে রং নেই, কিন্তু রেখাঙ্কনের কৌশল কেবল বস্তুকে আকে না, তার অস্তরকেও প্রকাশ করে । শংকরের বেদান্তস্থত্রভাষ্যের প্রস্ত'বন| এর উদাহরণ | গত শতাব্দীর বিজ্ঞানীদের কেউ কেউ সেদিনের নবলন্ধ জ্ঞান সাধারণ্যে প্রচারের জন্য প্রবন্ধ লিখেছেন। তার মধ্যে আচার্য হাক্সলির প্রবন্ধগুলি এ রকম রচনার ভালো উদাহরণ । বিষয় ও উদ্দেশ্যে আটপৌরে হয়েও অসাধারণ | অন্য বিজ্ঞানীদের অনুরূপ প্রবন্ধের সঙ্গে তুলনা! করলেই প্রভেদ বোঝা যায়। আইন ও তার ইতিহাস বিষয়বস্তুতে alan) অধ্যাপক মেইটল্যাগ্ড ইংলণ্ডের আইনের এক ইতিহাস লিখেছেন, এবং সে ইতিহাস নিয়ে ছোট-বড় অনেক প্রবন্ধ রচনা করেছেন | ইতিহাসের তথ্যানুসন্ধানে ও আবিষ্কারে তা পরিপূর্ণ, এঁতিহাসিকের একনিষ্ঠ সত্যভাষণ তার প্রতি পাতায়। কিন্তু এই নীরস CASA মেইটল্যাণ্ডের হাতে পেয়েছে আশ্চর্য গড়ন। কোনো বাহিক উপচারে নয়। AACS সরস ক'রে প্রকাশের অমাধারণ লিপিকৌশলে। মেইটল্যাণ্ডের পূর্বে ইংলণ্ডের আইনের wise ইতিহাস রচনা হয়েছে, যেমন অধ্যাপক হোল্ডস্ওয়ার্থের ইতিহাস। তথ্য পাণ্ডিত্য ও ভূয়োদর্শনের আধার। চোখ বুজে নির্ভর করা যায়। কিন্তু মেইটল্যাণ্ডের সঙ্গে তফাত আইনসর্বস্ব পাঠকের কাছেও অজ্ঞাত থাকে all যে শক্তি সম্পূর্ণ কর্মক্ষম, আর যে শক্তি কর্মকে আয়ত্ত করেও দশ আঙুল Cra’ থাকে তাদের যে তফাত । বাংলা প্রবন্ধে এ রকম রচনার বড় দৃষ্টান্ত প্রমথ চৌধুরীর “রায়তের sa’ বিগত যুগের ইংরেজ সিবিলিয়ান আ্যাস্‌কলি সাহেব বাংলাদেশের চাষের জমির স্বত্ব-স্বামিত্বের এক এঁতিহাসিক বিররণ লিখেছিলেন । পরিষ্কার ঝরঝরে Quay লেখা। বাংলাদেশের রায়তের অবস্থা ও সে-অবস্থার ইতিহাসের বিশদ afl প্রমথ চৌধুরীর রচনার বিষয়ও এ এক sai কিন্ত সে কথা তার হাতে হয়েছে 'রায়তের কথা J



Leave a Comment