জগৎচন্দ্র হার | Jagatchandra Haar

বই থেকে নমুনা পাঠ্য (মেশিন অনুবাদিত)

(Click to expand)
হজমশক্তি বৃঝে পাঁচ রকমের মাছের পদ রান্না করছেন। ধ্বংস থেকে বাঁচবে কারা? যারা মাকে ধরে থাকবে। এই মা শব্দটির মধ্যে দুটি গুণ লুকিয়ে আছে। শুদ্ধ ও AL) সং থেকেই আসছে সাত্ত্বিকতা। সাত্তিক মানে বিনাশপ্রাপ্ত হয় না। মানুষের বিভিন্ন আকার, বিভিন্ন স্বভাব। স্বভাবের ধর্মে মানুষের তিনটি জাতি-_তামসিক, রাজসিক ও aes! এগুলি সব চরিত্রের OF! MSH হওয়ার সাধন নির্দেশ তিনি দিলেন-রজঃ দিয়ে তমঃ-কে তোল, AGS? দিয়ে রজঃগুণকে দূর করে MS | তারপর সত্ত্বটিকেও ফেলে দিয়ে ত্রিগুণাতীত হও। এই পদ্ধতির নাম দিলেন--কীটা দিয়ে কাটা তোলা। শ্রীরামকৃষ্ণ যে আলো দেখেছিলেন সে আলো বড় মধুর মায়াবী। একালের কবির ভাষায়- ভয়ঙ্কর সুন্দর! রবীন্দ্রনাথ তার গানে এই আলোর কথাই বললেন- আলো আমার, আলো ওগো, আলো ভূবন-ভরা, আলো নয়ন-ধোওয়া আমার, আলো হৃদয়-হরা।॥ ঠাকুর কি বিজ্ঞানী ছিলেন? তা না হলে তিনি রামচন্দ্র দত্তকে একদিন এই রকম প্রশ্ন করবেন কেন- আচ্ছা, রাম, তোমরা পদার্থের ক্ষুদ্রতম অংশকে কি বল? তিনি উত্তর দিলেন, BOT! ঠাকুর সঙ্গে সঙ্গে বললেন, সেই অণুর মধ্যে বসেও আমি শক্তিময়ী মাকে লীলা করতে দেখেছি। তিনি শুধু সিংহ্বাহিনী নন বিন্দুবাসিনীও। অণু-চৈতন্য সম্পর্কে তার এই বৈজ্ঞানিক জ্ঞান একালের আণবিক বিজ্ঞানীদেরও বিস্মিত করবে। প্রাগসর পদার্থবিদ্যা একালে যেখানে এসেছে সেখানে অণু-চৈতন্য আর বিশ্ব-চেতন্য একটি সম্পর্ক তৈরি করে ফেলেছে। ক্ষুদ্রতেই বিশালের প্রতিরূপ অর্থাৎ উপনিষদের সেই সত্য-'ঈশাবাস্যমিদং সর্বং।” ঠাকুরের সহজ কথায় যা হল -_ঈশ্বরের চৈতন্যে সব জরে BCR! শ্রীরামকৃষ্ণ এমন এক আবির্ভাব যার কোনও তুলনা নেই। স্বামীজি বলছেন সকলেই কিছু একপেশে, একঘেয়ে | একমাত্র শ্রীরামকৃষ্ণ হলেন পরিপূর্ণ একটি দর্শন। স্বামীজি লিখছেন, “ইহা সত্য যে, নদী-শৈল-সাগর-সমন্বিতা নানাশক্তি ও ভাবমণ্ডিতা বাহাপ্রকৃতি অতি মহৎ | কিন্তু তাহা অপেক্ষাও মহত্তর মানবের অস্তঃপ্রকৃতি-_ সূর্য-চন্দ্র- তারকা, পৃথিবী তথা সমগ্র জড়-জগৎ অপেক্ষা cay আমাদের এই ক্ষুদ্র জীবনের উর্দ্ধে এই অন্তঃপ্রকৃতি আমাদের গবেষণার অন্যতম cra ১৪



Leave a Comment