ত্রিপুরার ৪০টি শতবর্ষ প্রাচীন বিদ্যালয় | Tripurar 40 Ti Shatabarsha Prachin Vidyalay

বই থেকে নমুনা পাঠ্য (মেশিন অনুবাদিত)

(Click to expand)
ত্রিপুরার ৪০টি শতবর্ষপ্রাচীন বিদ্যালয় প্রধান শিক্ষককে অপসারণ করে দায়িত্ব অন্যান্য শিক্ষকদের মধ্যে বণ্টন করে দেওয়া হয়। এছাড়া স্কুলটির প্রতি যুবরাজও আকৃষ্ট হন এবং ঠাকুরদের স্কুলে তাদের সম্ভানদের নিয়মিত পাঠানোর অনীহার প্রতি মহারাজের অসম্তুষ্টির কথাও জানিয়ে দেওয়া হয় — “The special interest of the Joobraj has been awakened to the affairs of the school, and the thakoors have been informed that the Rajah view their indifference to the education of their children with great displeasure.”””’ প্রকৃতপক্ষে, ত্রিপুরা রাজ্যে উচ্চ প্রশাসনিক পদে ঠাকুরদের নিযুক্তি একটি প্রথা ছিল। এছাড়া ঠাকুররা তাদের জীবিকা নির্বাহের জন্য রাজকোষ থেকে নিয়মিত ভাতাও পেতেন | ফলে স্বভাবতই জীবনধারণ অথবা উচ্চপদে নিযুক্তির ক্ষেত্রে তাদের কোনো সমস্যা ছিল না। এই কারণেই সম্ভানদের ভবিষ্যৎ গড়ার ক্ষেত্রে পড়াশুনারও বিশেষ গুরুত্ব তাদের কাছে ছিল না। কিন্তু ব্রিটিশ পলিটিক্যাল এজেন্টদের কছে এই স্কুল ও ঠাকুর বংশোদ্ভূত সম্ভানদের সুষ্ঠু শিক্ষাগ্রহণের সবিশেষ গুরুত্ব ছিল। ১৮৭০ খ্রিস্টাব্দের পর থেকে তাদের হস্তক্ষেপে রাজ্যে নতুন ভাবধারায় যে প্রশাসনিক সংস্কার শুরু হয়েছিল, তাতে এক ঝাঁক সুশিক্ষিত প্রশাসকের প্রয়োজন ছিল সেই অর্থে স্কুলটির ভূমিকা যেমন গুরুত্বপূর্ণ ছিল, তেমনি ঠাকুর সম্প্রদায়ের ভবিষ্যতে উচ্চপদে অধিষ্ঠিত প্রশাসক হিসেবে নিজেকে তৈরি করে নেওয়ার ক্ষেত্রে তাদের সম্ভানদের উপযুক্ত শিক্ষার বিশেষ প্রয়োজন ছিল। তাই এই স্কুলটির প্রতি আমরা ব্রিটিশ পলিটিক্যাল এজেন্ট ও পরবর্তীকালে আসিস্টেন্ট পলিটিক্যাল এজেন্টের উদ্বেগ ও সতর্ক দৃষ্টি প্রায় প্রতিটি রিপোর্টেই দেখতে পাই। স্কুলটিকে চাঙ্গা করতে মহারাজ Sadar মাণিক্য ব্যবস্থা নিলেও যে সামগ্রিক অবস্থার বিশেষ কোনো পরিবর্তন হয়েছিল তা নয়। ঘন ঘন শিক্ষকের পরিবর্তন, অনিয়মিত ভাবে শিক্ষকদের বেতন প্রদান, উপযুক্ত পরিদশনকার্যের অভাব, স্থানীয় অধিবাসীদের স্কুলের প্রতি অনাগ্রহ স্কুলটিকে প্রায় পঙ্গু করে ফেলছিল। ব্রিটিশ পলিটিক্যাল এজেন্ট C.W. 801.70খ-এর ১৮৭৭-৭৮ সনের রিপোর্টে এ সম্পর্কে একটি মর্মন্তদ বর্ণনা আছে-_ “*! regret to say that the school ts not properly looked after, and therefore fails to fulfil efficiently its functions as the principal school of the State. The masters are frequently changed, and the influential residents of Agartala, both private and official, take no interest in the school. For some years past the Political Agents alone have generally visited the school,;’?”’ ব্রিটিশ পলিটিক্যাল এজেন্টদের পাঠানো বার্ষিক রিপোর্টের সঙ্গে যুক্ত পরিসংখ্যান বেশির ১৬



Leave a Comment