ঈশ্বর সন্ধানে ভারত | Ishwar Sandhane Bharat

বই থেকে নমুনা পাঠ্য (মেশিন অনুবাদিত)

(Click to expand)
8 ঈশ্বর সন্ধানে ভাবত কার্তিক-গণেশ ইত্যাদির অর্থ ? আর প্রত্যেকটা দেবদেবীর এ মে একটা করে বাহন বা অনুসরণকারী আছে, তারই বা মানে কি ? আমি আপনি কালীবাড়ি যাই, মা কালীকে প্রণাম করি। কিন্তু শিবের বুকে দাঁড়ানো এ মূর্তির অর্থ কয়জনে জানি? হাতের এঁ নরমুণ্ডের এবং গলাব মালার প্রত্যেকটি মাথারই একটা করে yo অর্থ আছে। তাশ্রিকেরা সেটা জানেন | তা ছাড়া এই সমগ মূর্তির একটা OES pd আছে চন্তাশীল ব্যক্তিদের কাছে। তান্ত্রিকের ভাবনা আর চন্তাবিদের চিন্তা সবই তো একটা অনুমান বা অনুভব মাত্র। a7 যদি আপনাবা মেনে নিতে ae তাহলে হর প্পা-মহেন-জো.দড়োর ধ্বংসাবা.শষ থেকে পাওয়া অসংখ্য মূর্তি আর প্রতীক দেখে মদি আমরা পুরনো ভারতবর্ষের ধর্মচচচচ সম্পর্কে একটা অনুমান করে নিই, সেটাই বা গ্লাহ্য হবে না কেন। আশ্চর্য হবেন, বুঝলেন-_যদি সেই প্রাক-বৈদিকযুগের ভারতবর্ষের ফেলে যাওয়া প্রতীকের মধ্যে তার ধর্মচচচার আভাস পান, তাহলে সত্যিই আশ্চর্য হবেন। যদিও তার রেখে যাওয়া লিপিমালা ys, মুখ খোলে না, তবুও রেখে যাওয়া প্রতীকগুলি (নানা মূর্তি, সীলমোহ্‌র, জলাশয়, বড় বড় গৃহ ইত্যাদি) দারুণ মুখর। আসুন, একে একে সেই মুখর প্রতীকগুলির সাক্ষ্য গ্রহণ করি মহাপ্রাচীন ভারতবর্ষের ধর্ম সম্পর্কিত একটা ধারণা লাভের জন্য i হয়তো বা মাঝে মাঝে PATHE যাবেন মহেনজো-দড়োর ভারতের সঙ্গে বৈদিক ভারতের, বিশেষ করে বৈদিক সভ্যতাভুক্ত বিদ্রোহী ভারতের চিন্তার সাদৃশ্য লক্ষ্য করে। তখন হয়তো নতুন করে আবার ভাবতে শুরু করবেন। কিন্তু সে কথা এখন থাক। বরং আসুন-_হর প্লা-সহেন-জো-দড়োব সেই পুরনো চত্রশালায় একবার প্রবেশ করা যাক | aye বিদ্যালয় পাঠ্য ইতিহাস দেখেছেন ? না মহাবিদ্যালয়েরও ? কিংবা তারও, তাবও উপরে বিশ্ববিদ্যালয়ের ? সে যাই হোক না কেন, যে-কোনো একটা মোটাসোটা ধরনের বইয়ের পাতা খুলে ধরুন Ses এমন সব fa চোখে পড়বে__যার দিকে একটু অভিনিবেশ সহকারে তাকালেই বতলত MAAR অর্থ আপনার কাছে ধরা পড়বে। এমন সব অসংখ্য প্রতীক আপনি হর প্না-সহেন-জো-দড়োতে পাবেন, যা দেখে আপনার মনে হবে-সেখানকার লোকেরা সর্পের পূজা, PP বন্দনা, পশু পূজা ইত্যাদী sae কিন্তু সেসব নিয়ে খুব একটা আলোচনা আমি Faq না, কারণ এ'সব হয়তো কোন AW অধ্যাত্ম চিন্তার সঙ্গে জড়িত নয়, afar মূল সম্পর্কে কোন ইঙ্গিত দিতে পারে, উৎস সম্পর্কে, ঈশ্বর সম্পর্কে আপনার কি মনে BI? এবং সবারই কি এই রকম মনে হয় না যে, এ'সব মানুষের মনের আদিম স্তরের একটা ভাবনামাত্র? যখন আদিম একটা মানুষ সপাঘাতে আর একটা মানুষের মৃত্যু দেখল, এবং তার সকল প্রকার কলাকৌশল প্রয়োগ করেও তাকে আর বাঁচাতে পারল না, তখনই সে ভাবল-এক অপরিসীম ক্ষমতা রয়েছে সর্পের মধ্যে, যাকে বাহুবলণে জয় করা যাবে Atl করা যাবে না। আত্মসমর্পণ রুরে তাব ককণা কুড়াতে পারলে তবেই মুক্তি: এই বিপদ থেকে ৷ সেই থেকেই কি ধরুন সর্পপূজা ধরনের



Leave a Comment