বাউল রাজা [সংস্করণ-১] | Baul Raja [Ed. 1]

বই থেকে নমুনা পাঠ্য (মেশিন অনুবাদিত)

(Click to expand)
চায়নি | যে জীবনে ভূমার আনন্দ নেই, যে জাবনে মহাকাশের স্পর্শ নেই, সে কি আবার জীবন ! লালন বললো, “তোর৷ তবে দিন ঠিক ক'রে নৌকো বায়না কর, আমি একবার মাকে আর দয়াকে বলি বাউল দাস বললে, “তোকে নিয়ে এ তো হয়েছে মুস্কিল ৷ কথায় কথায় তোর কেবল মা আর বউ ব্যাটাছেলের নাম ডোবালি তুই লালন ।' স্মিতকণ্ঠে লালন বললো, “বাড়িতে ওরা বড় একা |, ইচ্ছে-খুশিমতো ওদের ছেড়ে ছ'দিন গিয়ে যে কোথাও থাকবো, তাই বা পারি কোথায় ? যেতে হলে দের দেখাশোনার কিছু একটা ব্যবস্থা! তো ক'রে যেতে হবে |’ "তবে আর তোর যাওয়া হয়েছে ![!' বলে অবজ্ঞার সঙ্গে এবারে ঠোঁট ওণ্টালো বাউল দাস। হেসে লালন বললো, “ঘাড়ের উপর সংসার্নের চাপ তো নেই, দুনিয়াকে তাই বাঁকা ঠোঁট দেখাতে তোর বাধে না। কিন্তু উল্টে যখন বাঁকা ঠোঁট দেখবি, তখন বুঝবি ।* শেষপর্যন্ত সত্যিই তাকে বুঝিয়ে তবে ছাড়লো লালন । মাকে আর দয়াকে বলে অনেক ক'রে তবে সে মত করালো | বললো, “ST দিন বৈ তো নয়! এ ক'দিন অনস্তদা আর আনন্দদ| এসে বরং ছু'বেলা তোমাদের পৌজখবর নিয়ে যাবেন, আমি বলে যাচ্ছি। দূরের পথ না হলে আমি তোমাকে আর তোমার বষট্কে নিয়ে গিয়েও ata করিয়ে আনতাম মা। এমন যোগাযোগটা আমি হেলায় ছেড়ে দিতে চাই না পদ্মাবতী কেমন যেন একটা অদ্ভুত দৃষ্টি মেলে লালনের মুখের দিকে অনেকক্ষণ তাকিয়ে রইলেন, তারপর শাস্তকণ্ঠে বললেন, "পুণ্য করতে যাবি, আমি কি তোকে বাধা দিতে পারি বাবা! কিন্তু আমার মনটা হঠাৎ যেন কেমন ক'রে উঠলো রে লালন! পথে কোনো বিপদ- আপদ নেই তো 1? -পবিপনণ কেন থাকবে মা? লালন বল্লো, “নৌকোয় যাবো, ১৭



Leave a Comment