সাহিত্য-পরিষৎ-পত্রিকা [ভাগ-৩৩] | Sahitya-Parishat-Patrika [Vol. 33]

বই থেকে নমুনা পাঠ্য (মেশিন অনুবাদিত)

(Click to expand)
সন ১৩৩৩ | প্রমাণ ৭যতটা স্পষ্টয়পে Ging হয়, স্মরণে ততপুলি বৈশিষ্য ৩তটা স্পষ্টরূপে প্রতিভাত হয় না। অনুভবকালে “ইহা অনুভব করিতেছি” sea জ্ঞান থাকে; স্বৃতির সময়ে “ইহা স্মরণ করিতেছি” ইত্যাকার একটা বিভিন্ন প্রকারের জ্ঞান হয়। এই সমস্ত কারণে Fe পুর্ধ্াহ্ভূতি হইতে বিভিন্ন এবং একট। পৃথক্‌ প্রমাণ বলিয়| জৈনগণ কর্তৃক নিরূপিত হয়। অন্নডব ও স্মৃতির ery যে একপ্রকার সংকলনাত্মক জ্ঞানের উদয় হয়, তাঁহার নাম প্রত্যভিজ্ঞা। “গবয় গো-সদৃশ*,) “মহিষ গো-বিসমৃশ., “এ গো শবল-জাতীয়,” “কটকরকুগুলাদি নানা আকারের অলঙ্কারে ক্রমশঃ পরিণত হইলেও yatta yay একই,”--- প্রত্যভিজ্ঞানের দ্বারা এই softy জ্ঞান লাভ করা যাইতে পারে। কাহারও কাহারও মতে “তরী গবয় cong,” “এ afer গো-বিসদৃশ”, ইত্যাকার জ্ঞান প্রত্যক্ষ জ্ঞান। বারণ, উক্ত জ্ঞানাস্তর্গত গবয় ও মহিষ প্রত্যক্ষগোচর। জৈন পণ্ডিতগণ বলেন, গবয় ও মহিয প্রতাক্ষসিদ্ধ হইলেও গো স্মৃতি-বিষয় ; প্রত্যক্ষবিষয় ও স্থতিবিষয়ের সংকলনে যে জ্ঞানের উৎপত্তি হয়, তাহা প্রত্যক্ষও নহে, স্থতিও নহে; তাহা প্রত্যভিজ্ঞাখ্য একটা পৃথক্‌ প্রমাণ। “ও গো শবলজাতীয়ট_ইত্যাকার প্রত্যভিজ্ঞানের মধ্যে যে জাতি বা সামান্তের জ্ঞান নিহিত থাকে, জৈনদারশনিকগণ তাহাকে ‘fensataty’ বলিয়া থাকেন। বৌদ্ধগণ তির্য্যক্লামান্তের ' অস্তিত্ব স্বীকার করেন না। তাহাদের মতে ‘facta’ ব৷ 'দ্বলক্ষণ' ( particular ) জ্ঞানের ব্যিয় ; “সামান্য' afaal কিছুই নাই এবং তাহা জ্ঞানের বিষয়ও হইতে পারে al) জৈন্গণ বলেন, এক পদার্থের সহিত অন্য পদ।র্থের AED Give, ইহা বৌদ্ধগণও স্বীকার করেন; এই সামৃশ্যজ্ঞানের মধ্যেই Assia রহিয়াছে? অতএব সামান্তের অস্তিত্ব স্বীকার করিতেই হয়। তদনত্তরে বৌদ্ধদার্শনিকগণের বক্তব্য এই যে, 'বাসনা'-বশত:ঃ AGS (সামান্ত ) জ্ঞানের উদ্ভব হইয়া থাকে; প্রক্কতপক্ষে alata AS নাই। জৈনগণ বলেন, যদি সামান্তের অস্তিত্ব নাই, তাহা হইলে বাসনা কিরূপে তদ্বিষয়ক জ্ঞান উৎপাদন করিতে পারে ? সামান্ত আছে, এবং SSIS বাসনা দ্বারা তদ্বিযয়ক জ্ঞান উৎপন্ন হইয়া থাকে,--ইহাই যুক্তিদঙ্গত। “কটককুঙলাদি নানা আকারের অলঙ্কারে ক্রমশঃ পরিণত ₹ইলেগস্মবর্ণাখ্য দ্রব্য একই” ইত্যাকার জ্ঞানের মধ্যে Wang যে মামান্ত-জ্ঞান থাকে, তাহার নাম 'উর্ধতা'সামান্ত”। বৌদ্ধ ক্ষণিকবাদিগণ উর্ধতা-সামালন্যেরও অস্তিত্ব স্বীকার করেন না। তাহারা 'বলেন, যাহা সঙ, তাহা ক্ষণিক ব্যতীত আর কিছুই হইতে পারে না; কারণ, যাহ! 'অর্থ-ক্রিয়া-কারী' অর্থাৎ যাহা কার্ধ্যের উৎপাদক, তাহাই সৎ; অথক্রিয়াকারিত্ব ক্ষণিক পদাথে'ই সম্ভব। যাহ! নিত্য ও অবিক্বত (উর্ধতাামান্ত ), তাহা অর্থক্রিয়াকারী হইতে পারে না ; কারণ, চির-সৎ পদার্থ কিরূপে কার্য্য উৎপাদন করিবে 1? ক্রমে ক্রমে” ( gradually or suc- cessively ) কার্য্য-সমূহের উৎপাদন তাহার পক্ষে HBT; কারণ, যখন তাহার অবিকার্যয, অপরিবর্তনীয় স্বভাব রহিয়াছে, তখন স্বভাব অনুধায়ী সমস্ত কার্য্যগুলিই একেবারে এক সঙ্গে "eal যাইবে। আবার “অক্রমে! ( simultaneously ) কার্্যসমূহ্রে উৎপত্তিও অসম্ভব; ;



Leave a Comment