বিবিধ কথা | Bibidha Katha

বই থেকে নমুনা পাঠ্য (মেশিন অনুবাদিত)

(Click to expand)
জাতির জীবন ও সাহিত্য ৩ আজ we চিন্তা ও we ভাবের চর্চাকে নিতাস্ত নিরর্থক মনে করিতে বাধ্য হইয়াছে। ates যদি মরিয়া! গেল, তবে ফুলের হিসাবে আর প্রয়োজন কি? ভিটাই যদি উৎসন্ন হইল, তবে পুষ্পোদ্যানের ভাবনা করিয়| কি হইবে ? তথাপি একটা কাজ আছে। সাহিত্য তো কেবল কাব্যস্ষ্টই নয়, ভাষা কেবল বিদ্যারই বাহন নয়। যতক্ষণ শ্বাসপ্রশ্বাস বহিতেছে, ততক্ষণ ভাবনাও আছে, সাহিত্যও শেষ পধ্যস্ত সেই শ্বাসপ্রশ্বাসের প্রবাহ । অতএব একালে সকল সাহিত্য- চর্চার মূলে থাকিবে জাতির জীবনরক্ষার ভাবনা--যমৃত্যুঞ্জয়-মন্ত্রের আরাধনা | দেশে অতিশয় বর্তমানে যাহা ঘটিতেছে, তাহার সম্বন্ধে কিছু বলিবার অধিকার আমার নাই, সেদিকে তাকাইলে হৃদয় অবসন্ন হয়। অবস্থা এমন হইয়াছে যে, সে যেন মাহযের হাতে আর নাই--আমরা এখন ভগবানের বা মহাকালের দরবারে বিচারাধীন হইয়াছি। কিন্তু তাহাতেই অভিভূত হইলে চলিবে না, বিনাশের মহাগহ্বরতীরে দীাড়াইয়া চৈতন্য হারাইলে চলিবে না। কারণ, মানুষের প্রাণ, কৃতকর্মের বিচার বা প্রায়শ্চিত্তের ভয়ঙ্কর মুহূর্তেও জাগ্রত থাকে-_আত্মার ছুর্বলতা কোন কালেই মাজ্জনীয় নয়। মৃত্যু যদি অবধারিত হয়, তথাপি মান্যের অধিকার ত্যাগ করিব al; ন্যায় ও সত্যের নিকটে যেমন মস্তক অবনত করিব, তেমনই মানুষের যাহা শ্রেষ্ঠ সম্পদ, সেই প্রেমকে ক্ষুন্ন করিব না। আমার জাতি অপরাধ করিয়াছে--ইহাই যদি সত্য হয়, যদি পাপ করিয়াছে বলিয়া দণ্ডের যোগ্য হয়, তথাপি সেই পাপ ও অপরাধকে স্বীকার করিয়াও, তাহার প্রতি প্রেমহীন হইব না। জাতির মধ্যে যদি একজনও প্রেমিক থাকে, তবে তাহার পুণ্যে সমগ্র জাতি উদ্ধার পাইবে;



Leave a Comment