গল্প সমগ্র ১ | Galpo Samagra 1

বই থেকে নমুনা পাঠ্য (মেশিন অনুবাদিত)

(Click to expand)
বৌদি |গভীর উদ্বেগ নিয়ে কান্তিময় এবং কণিকাকে সঙ্গে করে যখন মণিময়দার ফ্ল্যাটে পৌঁছে যাই, নীলিমা বৌদিকে কোথাও খুঁজে পাওয়া যায় না।এরপর কান্তিময়রা মণিময়দার খাটের পাশে এসে দাঁড়ালে বিহুলের মতো তিনি তাকিয়ে থাকেন শুধু।পাটনা থেকে কণিকাদের নিয়ে আসার তিন দিন পর মণিময়দার অপারেশান হল। শুরু হয়েছিল সকাল ATA শেষ হল একটায়। আমি কণিকাদের সঙ্গে উদ্বিগ্ন মুখে নার্সিং হোমের করিডরে অপেক্ষা করছিলাম। ডাক্তার সেন অপারেশান থিয়েটার থেকে বেরিয়ে এলে জিজ্ঞেস করলাম, “কেমন বুঝলেন?”ডাক্তার সেন মৃদু হাসেন। বলেন, 'আমাদের হতাশ হতে নেই। দেখা UW!’একসময় কণিকারা চলে যান। আমি অন্যমনস্কর মতো নার্সিং হোমের বাইরে আসি। রাস্তা পেরুতে যাব, হঠাৎ ডাকটা কানে ভেসে আসে, 'সুধীশ ঠাকুরপো-_'চমকে মুখ ফেরাতেই চোখে পড়ে, ফুটপাথের একধারে দাঁড়িয়ে আছেন নীলিমা বৌদি । মুহূর্তের জন্য আমার শ্বাসক্রিয়া যেন বন্ধ হয়ে যায়। কান্তিময়রা আসার পর একটা চিঠিতে এ বাড়ির মালিকানা, মণিময়দার spat, প্রভিডেন্ট wre ইত্যাদি স্বত্ব ছাড়ার কথা লিখে দিয়ে তিনি যে কোথায় চলে গিয়েছিলেন, কে জানে। তারপর এই দেখা হল। একটা ঘোরের মধ্যে যেন তার কাছে দৌড়ে চলে যাই। বলি, “বৌদি আপনি!নীলিমা বৌদি বিষগ্জ হাসেন, “হ্যা, আমিই । রোজ আমি এখানে এসে দাঁড়িয়ে থাকি। আপনারা চলে যাবার পর নার্সিং হোমে গিয়ে আপনার দাদার খবর নিই। আজ তো অপারেশান হয়ে গেল।'St“ডাক্তার সেন অপারেশানের পর কী বললেন?”আসল কথাটা জানাই না। শুধু বলি, 'সাকসেসফুল অপারেশান।সোজা আমার চোখের দিকে তাকান নীলিমা বৌদি | অদ্ভুত একটু হাসেন Byচুপচাপ কিছুক্ষণ দাড়িয়ে থাকার পর জিজ্ঞেস করি, 'আপনি এখন কোথায় আছেন বৌদি?”নীলিমা বৌদি বলেন, “সেটা জানাবার মতো কোনও জায়গা নয়।বুঝতে পারি, তার ঠিকানা কিছুতেই দেবেন না নীলিমা বৌদি। একটু চিন্তা করে বলি, 'একটা কথা বলব?'বলুন TW’'আপনাকে অন্য কোথাও থাকতে হবে না। আমাদের কাছে চলুন। আমরা মোটে তিনটে মানুষ--শুভা, আমি আর আমার ছেলে বিনু। ঠাকুরদার আমলের বাড়িটাও কত AGW! আপনার এতটুকু অসুবিধা হবে a’নীলিমা বৌদি বলেন, 'আপনার দাদা ছাড়া এভাবে কেউ আমাকে বলেনি। আমার১৮



Leave a Comment