ব্রহ্মতত্ত্ব | Brahmatattwa

বই থেকে নমুনা পাঠ্য (মেশিন অনুবাদিত)

(Click to expand)
C a ]আমরা এই আপত্তির উত্তর দিতে coi করিতেছি। একাজ্মপ্রত্যয়ের ভিতরে ae বাক্তিগত ভেদপ্রত্যয়ের স্থান না থাকে, তবে সে একাস্ম- প্রত্যয় মূল প্রত্যয় নহে, ইহা নিশ্চয়। একাতম্মপ্রত্যয়ের অর্থ যদি এই হয় যে 'আমি' 'তুমি' ও “তিনি” ঠিক একই qe, কোন ভেদ নাই, তবে ইহা ঠিক যে, হয় একাত্মপ্রত্যয়কে পরিহার করিতে হইবে, না হয় এই ভেদবুদ্ধিকে পরিহার করিতে হইবে। কিন্তু আমাদের বোধ হয় যে এই উভয় প্রত্যয়ই মৌলিক, একে অন্যের বিরুদ্ধ নহে। “arg! কথাটা সর্বদা ঠিক এক অর্থে ব্যবহৃত হয় না। আত্মার কেবল জ্ঞাতৃত্বের দিক্‌ দেখিলে, আত্মার শুদ্ধ Sla- স্বরূপ পর্ব্যালেচনা করিলে, ইহাকে আদ্বতায় Witla ব্যতীত আর কিছুই বলা যায় না। কিন্তু ইহাকে বিশেষ বিশেষ cea বস্তুর মহিত এক sfaal ভাবিলে, অর্থাং ইহার জ্ঞাতৃত্বের সহিত কিননৎপরিমাণে care falas করিলে, cua বস্তুর ভিন্ন ভিন্ন বিভাগাঙন্গুসারে ইহার মধ্যেও প্রকারান্তরে বিভাগ আমির পড়ে, ATG ভাবে দেখিতে গেলে ইহ।কে বহু ও ভিন্ন ভিন্ন বলিয়াই গ্রহণ করিতে হয়। একটা দৃষ্টান্ত দ্বারা এই sats স্পঃ করিতে চেষ্টা করিব। “অ|মার চক্ষুর TAT বস্তু গুনি যে জ্ঞাতার জ্ঞান।শপ্রিত, আমার MITTS! বস্তু eft, এবং এমন কি আমার afecrat অতীত স্থানবর্তী বস্তু গুলি ও সেই জ্ঞাতারই Biatfas”, এই বিশ্বাস অনতিক্রমণীয়, ACW নাই; এবং এই ভাবে দেখিতে গেলে, শুদ্ধ জ্ঞাতৃত্বের দিক্‌ হইতে দেখিতে গেলে, “আমি ও fetta একই, অর্থাৎ যে আত্ম! আমার আত্মারূপে, 'আমি' রূপে, প্রকাশ পাইতেছেন তিনিই সর্বত্র 'সাত্যরূপে প্রকাশিত,” এই বিশ্বাস মৌলিক ও অনতিক্রমণীয় | কিন্তু আত্মাকে কেবল জ্ঞাতৃরূপে না| দেখিয়| বদি ইহাকে মন্মথস্থ বস্তু সমূহের সহিত কিয়ৎ পরিমাণে এক করিয়] দেখি, যদি ইহাকে কেবল সম্মথস্থিত aw সমূহেরই জ্ঞাতৃরূপে চিন্তা করি, এবং ইন্ত্রিয়দ্বার রুদ্ধ করিয়াও যদি ইহাকে কতিপয় বিশেষ বিশেষ চিন্তার চিন্তাকারী বলিয়াই আলোচনা করি, কতিপয় বিশেষ বিশেষ সুখ দুঃখের অনুভবকারাী বলিয়াই চিন্তা! করি, যদি অন্যান্য aw, অন্যান্য Bl এবং অন্যান্য সুখ ছুঃখকে ইহার আশ্রিত বলিয়া মনে না ক্রি, তবে, এই বিশেষ বিশেষ বিষয়-নংশ্লিষ্ট আত্মাকে অবপ্তম্ভাবিরূপেই মমীমু বলিয়া বিশ্বাস করিতে হয়, এবং অন্যান্য বিষয়মমন্ট্র-সংগ্লিঃ আত্যারে ইহা২



Leave a Comment