দুটীকথা | Duti Katha

বই থেকে নমুনা পাঠ্য (মেশিন অনুবাদিত)

(Click to expand)
প্রথম পরিচ্ছেদ ৷ লেতেমনই আবার অশান্তির আতন্গার। একদিন কোন অসামান্ত-রূপ-যৌবন-সম্পন্ন| সরলা বালা ভাগীরণথীর নির্মল সলিলে অবগাহন পূর্বক ঈশ্বর চিন্তায় নিমগ্ন! রহিয়াছে দেখিলাম। আহা! সেই aaa পৃথিবীর সর্বাস্বধন স্বামিরত্ন হারাইরা হিন্দু শান্তান্্যারী ব্রম্মচর্য্য অবলম্বন করিয়াছেন। তাহার এই ভাব দর্শনে আমার হৃদয় একবারে আনন্দ wa BAS হইয়া! গেল। কিন্তু পরক্ষণেই নেই অবলার অমূল্য সতীত্বরত্ন হরণের fafre সন্নিহিত যুবকদ্ধয়ের জল্পনা শ্রবণ করিয়| মনে সাতিশয় ঘৃণার উদ্রেক হইল । এই নময়ে আমার অন্তঃকরণ আনন্দ ও sey রসে যুগপৎ অভিষিক্ত ean কিরূপ অধীর হইয়া উঠিল, এক্ষণে তাহা বর্ণন করিতে অক্ষম। মনে তখন নানা ভাবের Bey হইতে লাগিল! গুরুদেব! ক্ষমা করিবেন, আমি কার্ণান্বেষী। একবার ভাবিলাম, জগদীশ্বর যদি সর্বব্যাপী, সকলের হৃদয়ে নিয়স্তু রূপে বাস করিতেছেন, তবে কেন একজন wierd মনোনিবেশ করিতেছে, অপরেই বা কেন ঘোরতর দুচ্কর্্মে fad হইয়া অধর্ম সঞ্চয় করিতেছে ? আবার ees মনে হইল, পরম পিতার নিকট দেশ- কার্ল ও পাত্রভেছে পাপ পুণ্য ভেদ! আমি যাহাকে পাপ ' বলিয়া! জ্ঞান . করি, অক্তে তাহাকেই পুণ্য বলিয়া! জ্ঞান



Leave a Comment